আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইঞ্জিন বিকলে ৬ ঘণ্টা সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ণ
ইঞ্জিন বিকলে ৬ ঘণ্টা সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

Manual5 Ad Code
স্বপন কুমার সিং :

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া এলাকায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল।

Manual6 Ad Code

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভানুগাছ ও শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী মাগুরছড়া এলাকায় সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ইঞ্জিন বিকলের কারণে আটকে পড়ে। এতে সিলেট–চট্টগ্রাম ও সিলেট–ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

ভানুগাছ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার গৌর প্রসাদ দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার পর বিকল্প হিসেবে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের একটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। তবে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে ওই ইঞ্জিন সংযুক্ত করার সময় হুক ছিঁড়ে যাওয়ায় আবারও ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

Manual4 Ad Code

দীর্ঘ সময় পাহাড়ি এলাকায় ট্রেন আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও অভিযোগ করেন।

পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই লাউয়াছড়া ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় দুর্বল ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে। এ কারণে প্রায়ই পাহাড়ে ট্রেন বিকলের ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

Manual3 Ad Code

স্টেশন মাস্টার গৌর প্রসাদ দাস আরও জানান, চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ভানুগাছ স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ইঞ্জিন বিকল ও মেরামত জটিলতার কারণে ট্রেনটি রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে স্টেশন ত্যাগ করে। এতে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায় ৯ ঘণ্টা ৩ মিনিট দেরিতে ছেড়ে যায়।

Manual6 Ad Code

এদিকে ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেসের নির্ধারিত ছাড়ার সময় ছিল বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট। ট্রেনটি ভানুগাছ স্টেশন থেকে রাত ৯টা ৫৮ মিনিটে ছেড়ে যায়, যা নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রায় ৪ ঘণ্টা ১৮ মিনিট বিলম্বে।পরে মেরামত কাজ শেষ হলে ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী স্টেশনেই অপেক্ষা করেন, আবার কেউ কেউ গভীর রাতে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও নারী যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ শেষে আপাতত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী স্টেশনেই অপেক্ষা করেন, আবার কেউ কেউ গভীর রাতে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হন।বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও নারী যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ শেষে আপাতত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আখাউড়া রেলস্টেশন থেকে একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।দীর্ঘ উদ্ধার কার্যক্রম শেষে  ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।