আজ মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার ক্ষিরা চুরির প্রতিবাদ করায় হামলায় শিশুসহ আহত ৪: আশংন্কাজনক ১

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার ক্ষিরা চুরির প্রতিবাদ করায় হামলায় শিশুসহ আহত ৪: আশংন্কাজনক ১

Manual2 Ad Code

মো: জাফর ইকবাল:

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুরমুখ ইউনিয়নে ক্ষিরা চুরি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় এক পক্ষের নারী শিশুসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন, মছব্বির মিয়া(৫০), নজমিন বেগম(৪০), রিপন মিয়া(১৬),হাসাইন মিয়া(১২)। আহত রিপন মিয়া(১৬) এর অবস্থা আশংঙ্খাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হয়েছে।

এব্যাপারে আহত মছব্বির মিয়ার ছেলে মোঃ রাজন মিয়া (১৯) বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বুধবার(২৫ মার্চ) মনুরমুখ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাহাদুরপুর গ্রামে এঘটনাটি ঘটেছে।

Manual4 Ad Code

অভিযোগে জানাযায়, ঐ গ্রামের মছব্বির মিয়া তার বাড়ির পাশের. ৩০ শতক জমি বন্ধক নিয়ে ক্ষিরা চাষ করেন। ক্ষিরা বিক্রির শেষ পর্যায়ে কিছু ক্ষিরা বীজ তৈরী করার জন্য রেখে দেন। পাশের বাড়ির তাসলিমা বেগম, স্বামী কামাল মিয়া, আপিল মিয়া, কপিল মিয়া, সোহেল মিয়া ও তার ছোট ছেলে প্রায় সময় ক্ষেত থেকে ক্ষিরা চুরি করে নিয়ে যায়। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তার ক্ষেত থেকে বীজের ক্ষিরা বাড়ির তাসলিমা বেগম ও তার ছোট ছেলে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় মছব্বির মিয়া আপত্তি করলে ঝগড়ার সুত্রপাত হয়। পরে তাসলিমা বেগমের স্বামী কামাল মিয়া, আপিল মিয়া, কপিল মিয়া, সোহেল মিয়া ও তাসলিমা বেগম আহতদেরে মারধোর করে মারাত্নক ভাবে আহত করে।

Manual8 Ad Code

স্থানীয়রা আহতদেরে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত রিপন মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে প্রেরন করেন। তার অবস্থা আশংঙ্খাজনক বলে জানা গেছে।

Manual8 Ad Code

২ নং মনুরমুখ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ্ ইমরান সাজু বলেন, বাহাদুরপুর ক্ষিরা চুরির ঘটনায় মারামারি বিষয় রাতে একজন লোক ফোনে আমাকে বলেছে। আমি এখন যাচ্ছি। শুনেছি এঘটনায় একজন সিলেট কাজল হাওর হাসপাতালে আর একজন মৌলভীবাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমি এখন বিষয়টি বুঝার জন্য যাচ্ছি।

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ওসি গাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বলেন, কেহ ফোন করেনি। অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, যদি অভিযোগ দেয় তা হলে অফিসার পাঠানো হবে।