আজ শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে হবিগঞ্জে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ৯, ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ণ
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে হবিগঞ্জে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

Manual8 Ad Code
স্বপন কুমার সিং, নিজস্ব প্রতিবেদক   :
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, দেশপ্রেম, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলা পর্যায়ে বিজয়ী ১৭৪ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে এসব পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জের সহযোগিতায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ, জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মো. এনামুল হক ও জেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তারও কবি। তাঁর সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।
জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা এবং কলেজ পর্যায়ের বিজয়ী শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
নজরুলসংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, অভিনয়, রচনা, নির্ধারিত ও উপস্থিত বক্তৃতা, নজরুলের ইসলামি সংগীত ও গজল, হামদ এবং নাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী ১৭৪ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সনদপত্র দেওয়া হয়।
সমাপনী বক্তব্যে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নজরুলের সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়  ।