আজ শনিবার, ১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে প্রচন্ড হাড়কাপানো শীতে কাঁপছে গ্রামীন জনপদ

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজারে প্রচন্ড হাড়কাপানো শীতে কাঁপছে গ্রামীন জনপদ

Manual4 Ad Code

মো: জাফর ইকবাল:

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজারে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। সন্ধা থেকে সকাল পড়ছে বরফের মতো ঠান্ডা। তাপমাত্রা নেমে আসছে। অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত তীব্র শীতে গত ৫দিন ধরে ৯ ডিগ্রি থেকে ১৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ডের মধ্য দিয়ে উত্তরের হিমাঞ্চল জেলা মৌলভীবাজারে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

Manual5 Ad Code

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। পাহাড়, হাওর আর চা-বাগানবেষ্টিত শ্রীমঙ্গলে বসবাসরত মানুষ কনকনে শীতে কাবু হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপর্যন্ত নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও হাওর, পাহাড় ও চা-বাগান এলাকায় খুব বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষজন। তাপমাত্রা কম থাকলেও সকালে সূর্যের দেখা মিলেনি। গ্রামগুলোতে খড়কুটো, টায়ার জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করতে দেখা যায়। বেলা বাড়লেও কেটে যায়নিকনকনে শীতের প্রভাব।
কথা হয় চা ও খেটে খাওয়া শ্রমিকদের সাথে। তারা বলেন, সবচেয়ে শীত মনে হয় রাতের গভীর থেকে সকাল পর্যন্ত। সকাল ৯টা পর্যন্ত কনকনে শীতের প্রভাব থাকে। এ সময়টায় কৃষি ও চা তুলতে গেলে বরফ থাকে। কাজ করতে খুবই অসুবিধা হয়।

Manual1 Ad Code

এদিকে, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় প্রতিদিনই ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী আনিসুর রহমান বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ডা, প্রনয় কান্তি দাস তত্বাবধায়ক বলেন, আমরা শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে ঠাণ্ডা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। পাশাপাশি হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

Manual7 Ad Code