আজ শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের’ সন্দেহভাজনকে নিয়ে বাকলিয়া ছাড়তে পারেনি পুলিশ, গাড়িতে আগুন

editor
প্রকাশিত মে ২২, ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের’ সন্দেহভাজনকে নিয়ে বাকলিয়া ছাড়তে পারেনি পুলিশ, গাড়িতে আগুন

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম নগরীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর আটক সন্দেহভাজনকে নিজেদের জিম্মায় নেওয়ার চেষ্টায় বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে)  সন্ধ্যার পর থেকে থেমে থেমে চলা এ সংঘর্ষের কারণে শাহ আমানত সেতু থেকে বহদ্দারহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

Manual8 Ad Code

একটি শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা রাতে আরও ছড়ালে বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

রাতে দফায় দফায় সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশের একটি বড় ট্রাকে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা।

স্থানীয়দের ঘেরাওয়ের মুখে প্রায় আট ঘণ্টার চেষ্টাতেও আটক ব্যক্তিকে নিয়ে এলাকা ছাড়তে পারেনি পুলিশ।

বৃহ্স্পতিবার বিকাল থেকে বাকলিয়া এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা চলছে। স্থানীয়রা গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রেখেছে।

আট ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা করেও রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পুলিশ ওই যুবককে নিয়ে এলাকা ছাড়তে পারেনি।

পরে আরও অতিরিক্ত পুলিশ এসে যোগ দেয়। রাত ১১টার দিকে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি বড় ট্রাকে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন অলি গলি থেকে লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ছে, পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার সেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ছে।

Manual4 Ad Code

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবু জাফর সড়কে এক যুবক প্রতিবেশী সাড়ে তিন বছর বয়সি এক শিশুকে ফুসলিয়ে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রাখে। পুলিশ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সন্দেহভাজনকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

Manual1 Ad Code

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, স্থানীয়দের সরিয়ে আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়রা একটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

Manual8 Ad Code

এদিকে সেই শিশুকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেয়ার কথা বলেছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি রাতে নির্যাতিত শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে যান। শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

তথ্য সুএঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর