ভারতের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল রাজা সুব্রামানি
ভারতের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল রাজা সুব্রামানি
editor
প্রকাশিত মে ৩১, ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
ভারতের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রামানি। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা, দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং সামরিক আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্য অনুযায়ী, রাজা সুব্রামানি জেনারেল অনিল চৌহানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
জেনারেল চৌহান শনিবার (৩০ মে) দেশের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডার হিসেবে তার মেয়াদ পূর্ণ করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন।
প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত বিষয়ে অভিজ্ঞ এই সেনা কর্মকর্তা এর আগে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের (এনএসসিএস) সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ৩১ জুলাই তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ পদ থেকে অবসর নেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর জেনারেল সুব্রামানি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর রূপান্তর এবং তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও একীভূতকরণ জোরদারের লক্ষ্যে সাংগঠনিক সংস্কারই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। সংক্ষিপ্ত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় অস্ত্রের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং সমন্বয় আরও দ্রুততর করব।’
Manual6 Ad Code
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে পেশাদারি ও কার্যকর অপারেশনাল সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
Manual7 Ad Code
তিনি বলেন, ‘আমি ভারতের নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠা, সাহস, মর্যাদা ও পেশাদারির সঙ্গে দেশসেবায় অব্যাহত থাকবে।’
Manual3 Ad Code
জেনারেল রাজা সুব্রামানি দীর্ঘ চার দশকের সামরিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিভিন্ন ধরনের সংঘাতপূর্ণ এলাকা ও ভৌগোলিক পরিবেশে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জম্মু–কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সেনাবাহিনীর কোর ও ডিভিশন পর্যায়ে কমান্ডের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে জেনারেল সুব্রামানির প্রধান কাজ হবে সমন্বিত সামরিক কমান্ড চালুর মাধ্যমে থিয়েটারাইজেশন মডেল বাস্তবায়ন করা।