বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ০৬:২২ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
টাইমস নিউজ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন দেশটির ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোভিড ১৯ মহামারিসহ অন্যান্য বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগে সোমবার (২০ জানুয়ারি) অভিষেকের দিনই সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি।
Manual1 Ad Code
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
Manual8 Ad Code
অভিষেক সমাপ্ত হওয়ার কিছু পরেই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে ট্রাম্প বলেছেন, ডব্লিউএইচও আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খেয়েছে, এতদিন বাকিরাও সেটা করেই এসেছে। কিন্তু এসব আর চলতে দেওয়া হবে না।
তার অভিযোগ, সদস্য রাষ্ট্রদের অন্যায্য রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে ডব্লিউএইচও। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সংস্থাটি অযৌক্তিক ও একপাক্ষিকভাবে অনেক বেশি অর্থ নিয়ে থাকে। অথচ চীনের মতো বড় অর্থনীতির দেশের কাছে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক কম।
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ডব্লিউএইচও-এর পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পায়নি রয়টার্স।
প্রথম মেয়াদেও ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। কোভিড মহামারি ইস্যুতে পুরো বিশ্বকে বোকা বানাতে চীনকে সহায়তা করার জন্য সংস্থাটিকে অভিযুক্ত করেন তিনি।
Manual7 Ad Code
ডব্লিউএইচও-এর বৃহত্তম আর্থিক সহায়তাকারী যুক্তরাষ্ট্র। সংস্থাটির তহবিলের প্রায় ১৮ শতাংশ আংকেল স্যামের অবদান। ডব্লিউএইচও থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে, আগামী বারো মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার পাশাপাশি এই বিপুল পরিমাণ অর্থের যোগানও বন্ধ হয়ে যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংস্থাটির বিভিন্ন রকম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে চলমান রয়েছে। যেমন যক্ষ্মা, এইডস ইত্যাদির মতো ভয়াবহ রোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি যাচাই ও প্রতিকারের উপায় বের করা। ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলে এসব কর্মসূচির ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
Manual5 Ad Code
ট্রাম্পের আদেশে বলা হয়েছে, প্রত্যাহার পর্ব চলাকালীন ডব্লিউএইচও-এর সঙ্গে করা মহামারি চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সংস্থাটিতে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে নতুন দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে। আর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ইস্যুতে কাজ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিকল্প অংশীদার খুঁজে বের করবে সরকার।