দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন; অরুণাচলের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন; অরুণাচলের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত ও মুখোমুখি অবস্থান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর। সরকারি সূত্রের বরাতে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দ্য হিন্দু এই খবর জানিয়েছে।
উচ্চপদস্থ সরকারি সূত্রের মতে, জুলাই মাসের শেষদিক থেকে অরুণাচলের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিং সার্কেলের আসাফিলা এলাকায় দুই দেশের সীমান্ত উত্তাপ ছড়ায়। চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় সীমান্ত রেখার ধারণা অনুযায়ী প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে নিজস্ব তাবু গেড়ে অবস্থান নিয়েছে এবং ভারতের পক্ষ থেকেও সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
Manual1 Ad Code
চলতি বছরের জুলাই থেকে ভারতের সভাপতিত্বে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যোগদান এবং অজিত ডোভাল পর্যায়ের বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এই অচলাবস্থা কাটেনি। আগস্টে ডব্লিউএমসিসি বৈঠক, বিশেষ প্রতিনিধিদের ২৫তম বৈঠক এবং সেপ্টেম্বরের শুরুতে অরুণাচলের বাচা-দামাই সীমান্ত পয়েন্টে প্রথমবারের মতো কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
Manual8 Ad Code
রাজস্থানের আলোয়ারে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে অবসরগামী আইটিবিপি প্রধান শত্রুজিৎ কাপুর জানান, সীমান্ত রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে।
Manual5 Ad Code
তিনি উল্লেখ করেন, চীনকে কেবল পুরোনো কৌশলে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়, কারণ তারা আধুনীকিকরণে অনেক এগিয়ে গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইউক্রেন ও ইরানের ড্রোন ব্যবহারের কৌশল উল্লেখ করেন।
আইটিবিপি মহাপরিচালক আরও জানান, আগামী তিন বছরের মধ্যে চীন সীমান্তে প্রতিটি ফরোয়ার্ড পোস্টের জন্য মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়স্থল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে মাটির ওপরের যেকোনো স্থাপনা সহজেই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই মাটির নিচে স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো তৈরিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।