আজ রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় ছেলেকে পুলিশে দিলেন বিএনপি নেতা, অবাক পুলিশ!

editor
প্রকাশিত মে ১৫, ২০২৫, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
কুমিল্লায় ছেলেকে পুলিশে দিলেন বিএনপি নেতা, অবাক পুলিশ!

Oplus_16908288

Sharing is caring!

Manual2 Ad Code
কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিনহাজ হোসেন শামীম তার ছেলে মুন্নাকে (২৪) পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
মুন্না সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মিনহাজ হোসেন শামীম।
বুধবার (১৪ মে) দুপুরে তাকে ধরে নিজ হাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ওসি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা আর ঘটেনি।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নে সামাজিক বিরোধের জেরে গত ১২ মে স্থানীয় বিএনপি নেতা বিল্লালের ওপর পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ থানায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিনহাজ হোসেন শামীমের ছেলে মুন্নাসহ তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মুন্না এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তার বাবা মিনহাজ হোসেন শামীম বুধবার দুপুর ২টার দিকে ছেলেকে থানায় নিয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন।
মিনহাজ হোসেন শামীম সাংবাদিকদের বলেন, গত ১২ মে আমার চাচাতো ভাই ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা বিল্লালের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
 পরে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখি আমার ছেলে মুন্নাও এই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। এ কারণে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আমার ছেলেকে নিজ হাতে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছি, যাতে সে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করে।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নেতা বিল্লালের ওপর হামলার ঘটনায় মুন্নাকে আসামি করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তার পিতা মিনহাজ হোসেন শামীম ছেলেকে থানায় সোপর্দ করেছেন।
আমার চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। মুন্নাকে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code