মৌলভীবাজারে ১৩ আসামীর বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় দন্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে আরো ২৫,০০০/- টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে ১ বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ হয়েছে।
এ বিষয়ে রাষ্ট্র পক্ষের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট নিয়ামুল হক জানান- আজ মঙ্গলবার (৫ মে) মৌলভীবাজার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষনা করেন।
সাজা প্রাপ্ত আসামীরা হলেন-ভাতাইয়া গ্রামের ছবুর মুন্সি এর পুত্র মিলন মিয়া, মৃত : রইছ আলীর পুত্র রাহেল, ঘড়গাঁও গ্রামের মৃত : আয়ছর মিয়ার পুত্র দুলাল, ইলিয়াছ আলীর পুত্র শাহেদ ওরফে আবু জাফর, মৃত : জঙ্গুর পুত্র সেলিম, দক্ষিণ রাউৎগাঁও গ্রামের মো: সুরুজ মিয়ার পুত্র সাতির ওরফে সাকিল, ঘরগাঁও গ্রামের আব্দুল আলীর পুত্র জুনাব আলী, উত্তর বর্ণি গ্রামের মো: মানিক মিয়ার পুত্র কামাল, সুরমান আলীর পুত্র মকরম ওরফে হাজী, মৃত : প্রফুল্ল দাস এর পুত্র নকুল ওরফে সুমন, বড়তল গুচ্ছ গ্রামের সফাত আলীর পুত্র খোকন, সুজানগর গ্রামের আ: রউফ এর পুত্র জাকারিয়া,বড়লেখা উপজেলার গৌরনগর গ্রামের মনজির আলীর পুত্র জামাল।
Manual1 Ad Code
রায় ঘোষনাকালীন সময় ৩ জন আসামী উপস্থিত থাকায় তাদেরকে সাজা পরোয়ানায় হাজতে প্রেরন করা হয়েছে, বাকি আসামীরা পলাতক রয়েছেন তাদের প্রতি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশ হয়েছে।
জানা যায়-মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো: মারুফ আহমদ এর বসত ঘরে বিগত ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী ডাকাতি ও ধর্ষন সংঘঠিত হওয়ায় তিনি কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পরে বিচারামলে মামলার রায় ঘোষনা করা হলো। তবে ধর্ষন সক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশীটের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান আছে।
Manual2 Ad Code
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন- তিনি রায়ে সন্তুষ্ট। এই রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসাবে কাজ করবে, ডাকাতি একটি ভয়াবহ ঘটনা যা সমাজ, পরিবার, শারীরিক, মানষিকভাবে প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমুলক সাজা প্রদান সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে অবশ্যই গুরুত্ববহন করে।