দুই যুগ আগের মামলা; আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
দুই যুগ আগের মামলা; আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
editor
প্রকাশিত মে ৫, ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
দুই যুগ আগে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাত অভিযোগের মামলায় আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আসামি পলাতক থাকায় ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এ পরোয়ানা জারি করেন। আজ মঙ্গলবার (০৫ মে) আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
Manual7 Ad Code
এ মামলার অন্য দুই আসামির মধ্যে মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হলেও জামিনে থাকা মোশাররফ হোসেন আদালতে হাজিরা দেন।
Manual3 Ad Code
এদিন মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা জানিয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেছেন তাঁর আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার।
শুনানিতে তিনি বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি লোপ পেয়েছে। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশ নিতে শারীরিকভাবে অক্ষম।’
Manual6 Ad Code
এ সময় তোফায়েল আহমদের মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন এবং পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতেও আবেদন করেন আইনজীবী খায়ের উদ্দিন। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
Manual7 Ad Code
জানা গেছে, ২০০২ সালে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন। ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সম্প্রতি উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।