আজ মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান প্রাথমিক শিক্ষকদের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ণ
ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান প্রাথমিক শিক্ষকদের

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

আসন্ন রমজানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও অংশগ্রহণের বাস্তবতা বিবেচনায় ছুটির তালিকা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এ আহ্বান জানায়। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বায়ক মো. আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ, খায়রুন নাহার লিপি ও মু. মাহবুবর রহমানের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

ওই যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা পলির স্বাক্ষর করা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

তবে দাপ্তরিকভাবে এই ছুটির তালিকার সত্যতা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। যদি প্রকাশিত ছুটির তালিকাটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে কিছু অসংগতি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা কর্তৃপক্ষের অনিচ্ছাকৃত ভুল বা প্রিন্টিং জটিলতার কারণে হতে পারে।
আরো পড়ুন

Manual1 Ad Code

২৫ ঘণ্টায় যত টাকা অনুদান পেলেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ
২৫ ঘণ্টায় যত টাকা অনুদান পেলেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ

 

Manual3 Ad Code

এতে আরো বলা হয়, অতীত বছরগুলোতে শুক্র ও শনিবার ছুটির তালিকায় ‘শূন্য দিন’ হিসেবে গণনা করা হতো।

Manual2 Ad Code

চলতি ছুটির তালিকাতেও ২, ৬, ১৩, ২০, ২২ ও ২৩ নম্বর ক্রমিকে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় শূন্য দিন ধরা হয়েছে। তবে একই ছুটির তালিকার ৮ নম্বর ক্রমিকে ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটির মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবারকে ছুটির দিন হিসেবে গণনা করা হয়েছে। আবার ২৮ নম্বর ক্রমিকে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘোষিত ১০ দিনের ছুটির মধ্যেও শুক্র ও শনিবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ৮ নম্বর ক্রমিকে ৪ দিন এবং ২৮ নম্বর ক্রমিকে ২ দিন করে মোট ৬ দিন শুক্র ও শনিবার ছুটির দিন হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
এই অসামঞ্জস্যের কারণে শিক্ষক সমাজ ও সচেতন অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা মনে করে, এ ধরনের বিভ্রান্তি অনভিপ্রেত এবং দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, রমজান মাস মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র মাস। এ সময় সিয়াম পালন করে শ্রেণি পাঠদান করা শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। একই সঙ্গে অনেক প্রাথমিক শিক্ষার্থীও রোজা রেখে বিদ্যালয়ে আসে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিকভাবে কঠিন হয়ে পড়ে।

Manual7 Ad Code

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধিকাংশ শিক্ষক নারী হওয়ায় বিদ্যালয়ের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে ইফতার প্রস্তুতির বিষয়টিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ ছুটির তালিকাটি বাস্তবতা ও ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন করে পুনরায় প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।