ভারত-চীন-ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে ট্রাম্পের সম্মতি
ভারত-চীন-ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে ট্রাম্পের সম্মতি
admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
রুশ তেল আমদানির কারণে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধের তহবিলে রাশিয়ার আয় বন্ধ করতে এবং মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই বিশাল শুল্কের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বুধবার (৭ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, ট্রাম্প এই দ্বিপাক্ষিক ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’-এ সম্মতি দিয়েছেন। রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় দলের সমর্থনে তৈরি এই বিলটি আগামী সপ্তাহেই মার্কিন আইনসভায় (কংগ্রেস) তোলা হতে পারে।
Manual2 Ad Code
লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বিলটি পেশ করার বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। যারা সস্তায় রাশিয়ার তেল কিনে পুতিনকে যুদ্ধে সহায়তা করছে, তাদের শাস্তি দেওয়াই এই বিলের মূল লক্ষ্য।
Manual6 Ad Code
এই শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এই দেশগুলো তেল কেনা অব্যাহত রেখে পুতিনের যুদ্ধকালীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।
Manual4 Ad Code
এর আগে গত রবিবার (৪ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেলের বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা না করে, তবে আমরা তাদের পণ্যের ওপর বিশাল শুল্ক বসাব। তবে ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, মোদি একজন ভালো মানুষ এবং তিনি জানেন যে যুক্তরাষ্ট্র এই তেল আমদানিতে খুশি নয়।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার দায়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল ওয়াশিংটন। ভারত শুরু থেকেই বলে আসছে, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই তারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই ৫০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়, তবে মার্কিন বাজারে ভারত ও চীনের রফতানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।