আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ণ
ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual6 Ad Code

ইরান যুদ্ধ সপ্তম সপ্তাহে গড়িয়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ভোক্তাপণ্য থেকে শুরু করে ভ্রমণ ও খনি শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো বলছে, যুদ্ধের কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ছে, ব্যাহত হচ্ছে সরবরাহ ব্যবস্থা।

Manual2 Ad Code

বুধবার (২২ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী বন্ধ ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি খাতে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার চিত্র উঠে এসেছে। যার প্রভাব আগামী কয়েক মাসে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

জানা যায়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কারোপ, কাঁচামালের উচ্চমূল্য ও দুর্বল চাহিদার সঙ্গে লড়াই করছিল। যুদ্ধ সেই চাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিখ্যাত ডুলাক্স ব্র্যান্ডের রঙ নির্মাতা কোম্পানি আকজোনোবেল বলেছে, যুদ্ধের কারণে সরবরাহ খরচ অনেক বেড়ে গেছে।

Manual7 Ad Code

কোম্পানির প্রধান নির্বাহী (সিইও) গ্রেগ পক্স-গুইলাম বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে আমাদের কাঁচামালের খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়বে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এর পূর্ণ প্রভাব দেখতে পাবো আমরা।’

এদিকে ইরান যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পর্যটন খাত। বিমানের জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এয়ারলাইন্স ও ট্যুর অপারেটররা টিকিটের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। কিছু ফ্লাইটও বাতিল করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ভোক্তাদের ভ্রমণ আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে।

খনিজ শিল্পের ওপরও চাপ বাড়ছে। খনি কোম্পানি সাউথ ৩২ তাদের অস্ট্রেলিয়ার ম্যাঙ্গানিজ ইউনিটের উৎপাদন কমাতে পারে বলে ধারণা দিয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা তাদের পরিবহন ব্যয় ও কাঁচামালের দাম অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থার সম্ভাব্য প্রভাব কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে তারা এবং পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

Manual7 Ad Code

একইভাবে শিল্পখাত, শ্রমিকদের সুরক্ষা ও ভোগ্যপণ্য নিয়ে কাজ করে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি থ্রিএম। কোম্পানিটি তাদের পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

এদিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি না খোলা পর্যন্ত সরবরাহ সংকট কাটার কোনো লক্ষণ নেই বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।