আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাদ্য সংকটে পড়া বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই বাংলাদেশসহ ১০ দেশের

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ণ
খাদ্য সংকটে পড়া বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই বাংলাদেশসহ ১০ দেশের

Manual3 Ad Code

এএফপি

Manual5 Ad Code

বিশ্বে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ হিসেবে এবারও সংঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে জাতিসংঘ সমর্থিত একটি প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, গত বছর বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটে পড়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশে বাস করে। এই ১০টির মধ্যে বাংলাদেশও আছে। চলতি বছরও দেশগুলোতে পরিস্থিতি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

Manual6 Ad Code

জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শিরোনামের বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয়েছে শুক্রবার। এতে বলা হয়েছে, সংঘাত ও চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশে সংকট বজায় থাকবে বা আরও খারাপ হবে। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা যে ১০টি দেশে কেন্দ্রীভূত সেগুলো হলো- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন।

Manual8 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও সিরিয়ার মতো কিছু দেশে পরিস্থিতি উন্নতি হলেও আফগানিস্তান, কঙ্গো, মিয়ানমার ও জিম্বাবুয়েতে উল্লেখযোগ্য অবনতি দেখা গেছে।

Manual4 Ad Code

বার্ষিক প্রতিবেদনটিতে আন্তর্জাতিক সাহায্য দ্রুত কমে যাওয়ার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ চলমান সংকটগুলোকে আরও গভীর করতে পারে। কারণ, একদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে চাষের মৌসুমে সার উৎপাদনের খরচ বেড়েছে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রধান আলভারো লারিও এএফপিকে বলেন, ‘রোপণের মৌসুমে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।’ তিনি ক্ষুদ্র কৃষকদের আরও বেশি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি পানি ও জলবায়ু সহনশীল ফসলে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন।

আলভারো লারিও বলেন, স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নের ওপর জোর দিলে সার আমদানির প্রয়োজন কমবে।