নিরাপত্তা শঙ্কায় লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু বিশাল ভাস্কর্যকে সরিয়ে ফেলছে ভারত
নিরাপত্তা শঙ্কায় লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু বিশাল ভাস্কর্যকে সরিয়ে ফেলছে ভারত
editor
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু একটি বিশাল ভাস্কর্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
কলকাতা মহানগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ‘কেএমডিএ’ অধীনে লেকটাউন এলাকার একটি অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কের পাশে স্থাপন করা সোনালি রঙের এই ভাস্কর্যটি বর্তমানে বাতাসে বিপজ্জনকভাবে দুলতে থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Manual8 Ad Code
পশ্চিমবঙ্গের আইনপ্রণেতা শরদ্বত মুখার্জি এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকারি প্রকৌশলীরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর বিশাল এই ভাস্কর্যটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তীব্র বাতাসে এটি অনবরত দুলছে এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে এমন আশঙ্কায় এটি দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মেসির এই সোনালি ভাস্কর্যটি গত বছরের ডিসেম্বরে ‘গোট ট্যুর অব ইন্ডিয়া’ উপলক্ষে কলকাতায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উন্মোচন করা হয়েছিল। তবে উদ্বোধনের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় এটি নিয়ে তীব্র নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হওয়ায় বর্তমানে সেখানে বিশেষ কর্মীদের দিয়ে ভাস্কর্যটিতে মোটা দড়ি বেঁধে সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশাল এই কাঠামোটি নিরাপদভাবে সড়ক থেকে নামানোর কাজটি মোটেও সহজ হবে না এবং এটি সরাতে একাধিক বড় ক্রেন ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু লেকটাউনের মতো ব্যস্ত এলাকায় এই অপসারণ কাজ চালাতে গেলে পুরো এলাকার যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে এবং সুরক্ষার স্বার্থে বিদ্যুৎ সংযোগও সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন পড়বে।
Manual5 Ad Code
এ ছাড়া মেগা ভাস্কর্যটির ঠিক পাশেই একটি ভূগর্ভস্থ সাবওয়ে বা পথচারী পারাপারের রাস্তা থাকায় সেখানে ভারী ক্রেন বসানো টেকনিক্যালি সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে লেকটাউনের সড়ক থেকে অপসারণের পর ভবিষ্যতে এই ভাস্কর্যটি অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে পুনঃস্থাপন করা হবে কি না, সে বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।