আজ মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেহেরুর ৬ দশকের রেকর্ড ভাঙছে! ১০ জুন দেশের দীর্ঘতম মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন মোদী

editor
প্রকাশিত জুন ৬, ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ণ
নেহেরুর ৬ দশকের রেকর্ড ভাঙছে! ১০ জুন দেশের দীর্ঘতম মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন মোদী

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual7 Ad Code

  • নেহরুর জমানার সাথে মোদী জমানার কাজের ধরনে রয়েছে এক বড় মৌলিক পার্থক্য। স্বাধীনতার পর নেহরুর সময়ে সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশকে গড়ে তোলার মূল দায়িত্বটা ছিল সরকারের। কিন্তু ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার এই দেশে মোদী সরকারের ভাবনা ছিল ভিন্ন।

ভাঙতে চলেছে ৬২ বছরের পুরনো ইতিহাস! ভারতের মসনদে একটানা সবচেয়ে বেশি দিন থাকার রেকর্ডে এবার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুকেও (Jawaharlal Nehru) পিছনে ফেলে দেবেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। আগামী সপ্তাহেই, ১০ জুন ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের একটানা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে ‘উন্নয়নের অংশীদার’ বানিয়ে কীভাবে মোদী এই অশ্বমেধের ঘোড়া ছোটালেন (PM Narendra Modi historic record), তা নিয়েই এখন দেশজুড়ে জোর চর্চা।

জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙছে ১০ জুন

বিগত ৬২ বছর ধরে দেশের ইতিহাসে একটানা সবচেয়ে বেশি দিন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ডটি ছিল পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নামে। ১৯৫২ সালের ১৩ মে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং ১৯৬৪ সালের ২৭ মে তাঁর মৃত্যুর দিন পর্যন্ত একটানা ৪ হাজার ৩৯৮ দিন এই পদে ছিলেন।

Manual4 Ad Code

অন্যদিকে, ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এরপর পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন, বজায় রয়েছে তাঁর শাসনকাল। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুলাই মাসেই তিনি ইন্দিরা গান্ধীর ৪ হাজার ৭৭ দিনের একটানা প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিলেন। আর আগামী ১০ জুন মোদীর কার্যকালের ৪ হাজার ৩৯৯তম দিন পূর্ণ হবে, যা নেহরুর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে তাঁকে ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

Manual7 Ad Code

দেশ শাসনের ধরনে বদল

নেহরুর জমানার সাথে মোদী জমানার কাজের ধরনে রয়েছে এক বড় মৌলিক পার্থক্য। স্বাধীনতার পর নেহরুর সময়ে সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশকে গড়ে তোলার মূল দায়িত্বটা ছিল সরকারের। কিন্তু ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার এই দেশে মোদী সরকারের ভাবনা ছিল ভিন্ন। তাদের মতে, শুধু সরকারি যন্ত্রের ওপর নির্ভর করে এত বড় দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

Manual2 Ad Code

তাই মোদী জমানায় আমজনতাকে শুধু ‘সুবিধাভোগী’ হিসেবে না দেখে, দেশের উন্নয়নের ‘অংশীদার’ করে তোলার ওপরেই সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর কার্যকালে বারবার সামনে এসেছে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার মন্ত্র। আর এই কারণেই তাঁর আমলে- স্বচ্ছ ভারত অভিযান, ডিজিটাল পেমেন্ট বা লেনদেন, জল সংরক্ষণ, দেশজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচির মতো বড় বড় প্রকল্পগুলো শুধু সরকারি প্রকল্পের গণ্ডিতে আটকে নেই।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই মোদীর জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবং তাঁকে এই ঐতিহাসিক রেকর্ডের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। সুএঃ দ্যা ওয়াল