বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলিদের ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিভিন্ন ব্যক্তি হামলার সুযোগ খোঁজা অব্যাহত রেখেছে বলে সতর্কতা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।
Manual5 Ad Code
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এক সতর্কতা বার্তায় তারা কিছু দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ ও অবস্থান না করার জন্য বলেছে। যারমধ্যে বাংলাদেশও আছে। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ইসরায়েলিরা বাংলাদেশে আসে না।
সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট বলেছে, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল ইসরায়েলিদের ওপর ঝুঁকি নিয়ে নতুন মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, সামনে ইহুদিদের যেসব পবিত্র দিন আসছে সেগুলোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলিদের ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠৗ ও ব্যক্তির হামলার উচ্চ ঝুঁকি আছে।
Manual6 Ad Code
তারা বলেছে— ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ চলায় এ ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
এরমধ্যে ২০২৬ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের বিক্ষোভ দেখা দিতে পারে। যার কিছু ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে সহিংস রূপও ধারণ করতে পারে।
ইসরায়েলি এ সংস্থাটি বলেছে, হামাস ইউরোপ এবং অন্যান্যা দেশে ইসরায়েলিদের ওপর হামলা চালাতে কাজ করছে। এরসঙ্গে হুতিরা আফ্রিকা মহাদেশে ইসরায়েলিদের ওপর হামলার কথা বলেছে।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল বলেছে ইরানের আশাপাশের দেশগুলো ইসরায়েলিদের ওপর হামলার জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান। বিশেষ করে আজারবাইজান, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ ঝুঁকি বেশি।
Manual1 Ad Code
অপরদিকে জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড এবং মিসর (সিনাই উপত্যকাসহ) ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এসব জায়গায় না যাওয়া এবং থাকলে সেখান থেকে সরে যেতে নির্দেশনা দিয়েছে ইসরায়েলি এ সংস্থাটি। এছাড়া এসব দেশে যদি বিমানের ট্রানজিট থাকে, তাহলে বিমানবন্দর ত্যাগ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
Manual7 Ad Code
সংস্থাটি বলেছে, ইসরায়েলিদের জন্য ইরাক, কুর্দিস্তান, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া এবং লেবাননে এবং সৌদি আরবে যাওয়া আইনিভাবে নিষিদ্ধ। যা যৌথ নাগরিকদের জন্যও কার্যকর হবে।
অপরদিকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া এবং সোমালিয়াও ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে এসব দেশে না যেতে বলেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।