ডব্লিউআইওএন লিখেছে, দুদিন আগের নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর এই পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে দুই দেশের চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনার চেষ্টার ইংগিত দিচ্ছে।
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি।
ডব্লিউআইওএন লিখেছে, দুদিন আগের নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর এই পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে দুই দেশের চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনার চেষ্টার ইংগিত দিচ্ছে।
হুমায়ুন কবির ডব্লিউআইওএনকে বলেন, “আঞ্চলিক বিষয়গুলো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এই অঞ্চলকে একটি প্রভাবশালী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। শপথ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ পাঠানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে। সময় কম, কিন্তু আমরা আন্তরিক।”
Manual6 Ad Code
এই আমন্ত্রণকে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নের চেষ্টায় ‘সৌহার্দ্যের বার্তা’ হিসেবে তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, “যখন আপনি কাউকে আমন্ত্রণ করেন, তখন আশা করেন যে তিনি উপস্থিত হবেন। এটা একটা সদিচ্ছার ইঙ্গিত।”
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ‘সুষম নীতি’ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে বলেও মন্তব্য করেন তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা।
Manual1 Ad Code
সার্ক, বিমসটেকের মত বহুপক্ষীয় আঞ্চলিক ফোরামগুলোকে কাজে লাগানোর দিকে ইংগিত দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এ অঞ্চলকে নিয়ে একটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”
Manual2 Ad Code
ডব্লিউআইওএন লিখেছে, এমন এক সময়ে বিএনপির এই বার্তা এল, যখন নির্বাচনে তাদের নিরঙ্কুশ জয়ের পর আন্তর্জাতিক মহলে অভিনন্দনের ধারা বইছে।
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপির এই বিজয়কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘একটি বড় পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতোমধ্যে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ‘গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল’ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা বলেছেন।
মোদী এক এক্স বার্তায় তারেককে উদ্দেশ করে লেখেন, “আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সাথে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ।”