তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব
তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব
editor
প্রকাশিত জুন ৭, ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual3 Ad Code
নয় বারের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ সংসদ-সদস্যদের নাম জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনের শুরু সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম মৃত্যুবরণকারী ১৫ জন সাবেক এমপির নাম সংসদে উত্থাপন করেন।
Manual6 Ad Code
শোকপ্রস্তাবে যাঁদের স্মরণ করলো সংসদ
Manual4 Ad Code
জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জি এম ফজলুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আনোয়ারুল হক, সাবেক টেকনোক্রেট মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামসুদ্দোহা, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. দবিরুল ইসলাম, ভোলা-১ সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন ও ঢাকা ১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ।
তোফায়েল আহমেদের ওপরে আনা শোকপ্রস্তাবে বলা হয়, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী তোফায়েল আহমেদ উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। ছাত্র রাজনীতির সংগে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি, ১৯৬৬-৬৭ সময়ে তৎকালীন ইকবাল হল বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবেও একনিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
এ সংসদ প্রস্তাব করছে যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে দেশ একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবককে হারালো। এ সংসদ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।”