আজ মঙ্গলবার, ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তরুণ-তরুণীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৯, ২০২৫, ০৩:৫২ অপরাহ্ণ
তরুণ-তরুণীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

Manual3 Ad Code

টাইমস নিউজ 

Manual7 Ad Code

রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে তরুণ-তরুণীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমগাছে বেঁধে রাখা হয় তাদের। এ সময় পাহারা দিচ্ছিল গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী। সন্ধ্যায় গাছ থেকে খুলে তাদের থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তবে তাদের বেঁধে রাখা হলেও মারধর করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

আতিকুর রহমান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ছেলেটির নাম আহসান হাবীব। তরুণীর সঙ্গে আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একই জায়গায় তাদের বাড়ি। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি বিল থেকে বাড়িতে আসার সময় আহসান হাবীবের বাড়ি থেকে অশালীন কথাবার্তার আওয়াজ শোনেন। তিনি জানালা খুলে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদের আটক করেন। আহসান এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। একাধিকবার তাকে নিয়ে নারীঘটিত সালিশ করা হয়েছে।

তবে আহসান হাবীব জানান, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক আটক করেছেন। তাকে এবং ওই নারীকে ফাঁসানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি দুপুর বেলায় বিল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আহসান তাকে বাজে প্রস্তাব দেয়। তখন তার ঘরে ঢুকলে স্থানীয়রা আটক করে।

বুধবার বিকাল ৫টার সময় ঘটনাস্থলে আটকদের পাহারা দিচ্ছিলেন গ্রামপুলিশ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যানের নির্দেশে পাহারায় নিয়োজিত আছি। চেয়ারম্যান ও গ্রাম্য মাতবর আসলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা হবে।’

এ বিষয়ে নান্দিগ্রামের গ্রাম্য মাতবর আবু সাইদ বলেন, ‘আমি পার্শ্ববর্তী একটি বাজারে ব্যবসা করি। সেখানে দোকান আছে আমার। আমি দোকান বন্ধ রেখে ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। এলাকাবাসী বারবার ফোন দিচ্ছেন। আমি যেতে পারছি না। তাদের বলে দিয়েছি, এ বিষয়ে তোমরা আইনের সহায়তা নাও। তারা আমার কথা শুনছে না। আমার আসায় অপেক্ষায় আছেন। বিষয়টা স্থানীয়ভাবে সমাধান করবেন বলছেন। আমি তাদের না করে দিয়েছি। এরপরও কথা না শোনায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে আমি দোকান বন্ধ রেখে সেখানে যাচ্ছি।’

Manual7 Ad Code

নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ আলী সরদার বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি ওখানে গ্রামপুলিশ পাঠিয়েছি। কারণ এমন ঘটনায় সালিশ করা আমার এখতিয়ারে নেই। তাই পুলিশকে খবর দিতে বলেছি।’

Manual4 Ad Code

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরল হুদা বলেন, ‘বিষয়টা শুনেছি। এলাকাবাসী থেকে জানানো হয়েছে, তারা বিয়ে করবে। কোনও অভিযোগ পাইনি। যেহেতু বিয়ে করতে চায়, আমাদের কিছু করার নেই।’

Manual4 Ad Code