আজ মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেবারিট’ স্পেনকে রুখে দিয়ে চমকে দিল কেপ ভার্দে

editor
প্রকাশিত জুন ১৬, ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ণ
ফেবারিট’ স্পেনকে রুখে দিয়ে চমকে দিল কেপ ভার্দে

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual6 Ad Code

নামে-ভারে কিংবা ঐতিহ্যে দুদলের ব্যবধানটা আকাশ-পাতাল। শক্তিমত্তাতেও স্পেনের চেয়ে যোজন যোজন ব্যবধান পিছিয়ে কেপ ভার্দে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েও ব্যবধানটা স্পষ্ট, দুইয়ে থাকা স্পেনের বিপরীতে পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের দেশটির অবস্থান ৬৭ নম্বরে।

অনেকের দৃষ্টিতে এবারের বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে স্পেন! কিন্তু মাঠের লড়াই শুরু হতেই যেন বদলে গেল বাইরের সব হিসাব নিকাশ। ২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রাণপণ লড়ে রুখে দিল প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলতে যাওয়া কেপ ভার্দে। ‘ফেবারিট’ স্পেনকে রুখে গোল শূন্য ড্রতে চমকে দিয়েছে প্রায় ৫ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে।

কাগজে কলমে লড়াইটা স্পেন ও কেপ ভার্দের হলেও মাঠের লড়াইটা হয়েছে স্পেনের সঙ্গে কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনহার। বদতে গেলে গোলপোস্টের নীচে চীনের মহাপ্রাচীর তুলে দাঁড়ান ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার। স্পেনের সব আক্রমণ একাই ঠেকিয়েছেন দক্ষ হাতে।

ম্যাচের শুরুর একাদশে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের মতো তারকাকে রাখেননি ফুয়েন্তে। তখনই ধারণা মিলেছিল, গোল করতে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়নদের। তাই বলে আক্রমণ কম করেননি ওয়াজাবাল-ফেরান তোরেস-গাভি-পেদ্রিরা। কিন্তু কোনোভাবেই কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না স্পেন। সেই রক্ষণ ভেদ করলেও সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন ভোজিনহা।

প্রথমার্ধে স্পেনের নেওয়া ১৩ শটের ৪টি ছিল লক্ষ্যে। সবগুলোই ঠেকিয়েছেন ভোজিনহা। এর মধ্যে অন্তত তিনটি সেভ ছিল চোখ ধাঁধানো। ৩৮ মিনিটে পেদ্রির জোরালো শট দারুণভাবে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পার করেছেন। তিন মিনিট যেতে না যেতেই আবারও স্পেনকে হতাশ করেন ভোজিনহা।

Manual2 Ad Code

ফেরান তোরেসের শট ক্রসবারে লেগে ফিরতি বল যায় ওয়ারজাবালের কাছে। সেখান থেকেই হেড করেছিলেন রিয়াল সোসিয়েদাদে খেলা ২৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। সেটিও ক্রসবারের ওপর দিয়ে পার করে দেন কেপভার্দে গোলকিপার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কর্নার থেকে নেওয়ার লাপোর্তার একটি হেডও ঝাঁপিয়ে বিপদমুক্ত করেন ভোজিনহা। এতে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।

দ্বিতীয়ার্ধেও প্রায় একইভাবে চলতে থাকে খেলা। স্পেন আক্রমণ করে ঠিকই। কিন্তু সেসব আর পূর্ণতা পায় না। ৭১ মিনিটে গাভি ও রুইজের বদলি হিসেবে ইয়ামাল ও মেরিনোকে মাঠে নামান ফুয়েন্তে। আক্রমণের ধারও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। কিন্তু সর্বশক্তি দিয়ে ডিফেন্স করা কেপ ভার্দের রক্ষণ আর ভাঙতে পারেনি স্পেন। উল্টো ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দারুণ এক প্রতিআক্রমণে স্পেনের রক্ষণ কাঁপিয়ে দিয়েছে কেপ ভার্দে।

Manual7 Ad Code

ইয়ামালের পর ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের ৩ মিনিট আগে নিকো উইলিয়ামসকেও মাঠে নামান ফুয়েন্তে। নিজের প্রায় সেরা একাদশ খেলিয়েও শেষ পর্যন্ত পুঁচকে কেপ ভার্দের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় স্পেনকে।

 

Manual3 Ad Code