আজ রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামী-সন্তানকে পাশের রুমে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৮, ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ণ
স্বামী-সন্তানকে পাশের রুমে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

Manual8 Ad Code

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্বামীকে অন্য রুমে আটকে রেখে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বামী ও স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

আত্মহত্যা করা ওই শিক্ষার্থীর নাম দীপা দাস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জের ধরে দীপার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে দীপা তার স্বামীকে একটি রুমে আটকে রেখে পাশের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ান ও আশপাশের লোকজন ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে পাশের রুমে স্ত্রীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

Manual2 Ad Code

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন, দীপার আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা গতকাল বিকেলে জানতে পারি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আমরা বাংলা বিভাগের শিক্ষকেরা সদর হাসপাতালে গিয়ে দিপার মরদেহ মর্গে পড়ে থাকতে দেখি। আজ বিকেলে আমরা গিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবার তার মরদেহ নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে গতকাল বিকেলে সে বাসার এক রুমে স্বামী ও তার সন্তানকে আটকে রেখে অন্যরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানতে পেরেছি।

দীপার সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, ‘দীপা দাস ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। আমিও জানতে পেরেছি যে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদের কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় আমরা এবং বাংলা বিভাগ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

Manual7 Ad Code

গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর তিনি আত্মহত্যা করেছে।

Manual3 Ad Code