পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করার লক্ষ্যে শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু
পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করার লক্ষ্যে শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ০৫:৫৯ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
শহিদুল ইসলাম, সিলেট প্রতিবেদক:
দেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় পর্যটন নগরী চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ উৎসবের।
Manual2 Ad Code
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন কালিঘাট ইউনিয়নের কাকিয়াছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
Manual3 Ad Code
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খান মো. রেজা-উন-নবী, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সুদর্শন কুমার রায়।
জমজমাট উৎসবটি বিকেলে উদ্বোধন হলেও সকাল থেকেই এখানে আসতে থাকেন বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর মানুষ। পায়ে আলতা, বাহারি রঙের শাড়ি, খোঁপায় ফুল পরিধান করে বিভিন্ন জাতিসত্তার নারীরা নাচ ও গানে মুখরিত করে তোলেন পুরোটি উৎসব। সঙ্গে ঢোল-করতাল-মাদল বাজিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে অংশ নেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পুরুষরাও। প্রথম দিনে পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরেন এই উৎসবে।
আয়োজকেরা জানান, শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য, যেখানে টি ট্যুরিজম, ওয়াইল্ড লাইফ ট্যুরিজম, ব্যক ওয়াটার ট্যুরিজম, এথনো ট্যুরিজমসহ বিভিন্ন ধরণের পর্যটন বিকাশের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে আগত ইন বাউন্ড ট্যুরিস্টদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতি বছর শ্রীমঙ্গল এবং সংলগ্ন এলাকায় ভ্রমণ করে থাকেন। হারমোনি ফেস্টিভ্যাল এ অঞ্চলে বিদ্যমান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, জীবনাচারের টেকসই রুপদান, ট্যুরিস্টদের অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের নতুন ট্যুরিজম প্রডাক্ট উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।