পটুয়াখালীতে তালাবদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উড়ানো হলো জাতীয় ও দলীয় পতাকা
পটুয়াখালীতে তালাবদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উড়ানো হলো জাতীয় ও দলীয় পতাকা
editor
প্রকাশিত মে ৩১, ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual2 Ad Code
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি তালাবদ্ধ আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত) কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কে বা কারা পতাকা দুটি লাগিয়েছেন তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে শনিবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে পৌর শহরের কুন্ডুপট্রি সড়কে অবস্থিত আওয়ামী লীগের (জুয়েল গ্রুপ সমর্থিত) কার্যালয়ের সামনে এই পতাকা তুলেছেন। পরে পতাকা উত্তোলনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
সর্বশেষ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কার্যালয়টির সামনে দলীয় পতাকা দেখা না গেলেও জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, পথচারীরা শনিবার রাত ১১টার দিকে কার্যালয়ের সামনের পতাকা স্ট্যান্ডে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উড়তে দেখতে পান। ওই সময় কার্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। ফলে কারা এবং কীভাবে সেখানে পতাকা উত্তোলন করেছে, তা নিয়ে এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে বাউফল থানার অদূরে পৃথক একটি দলীয় কার্যালয় স্থাপন করে দলীয় কার্যালয় পরিচালনা করতেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল। ওই কার্যালয়টি স্থানীয়ভাবে ‘জুয়েল গ্রুপের কার্যালয়’ হিসেবে পরিচিত।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয় ‘জনতা ভবন’-এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ একাধিক মামলায় কারাবন্দী রয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
Manual5 Ad Code
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাউফল থানার পাশের ব্যস্ততম সড়কে অবস্থিত একটি তালাবদ্ধ দলীয় কার্যালয়ে হঠাৎ করে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা তাদের বিস্মিত করেছে। তাদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কারা তালাবদ্ধ কার্যালয়ে পতাকা তুলেছে করেছে তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।