এখনও জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় চালকদের
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল পেতে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ভোগান্তির অবসান হবে বলে আশা করেছিলেন অনেকে। পাশাপাশি সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা, ফুয়েল পাস চালু, নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসবের চার দিন পরও সেই অবস্থার অবসান হয়নি। এখনও জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় চালকদের। রাজধানীসহ সারা দেশের ফিলিং স্টেশনে এখনও তেল নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক জায়গায় সীমিত সরবরাহের কারণে অপেক্ষার সময় বাড়ছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভিড়
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পেট্রোল পাম্প ঘুরে ভোগান্তির নানা চিত্র দেখা যায়। বিকালে নীলক্ষেতের মোড়ের পেট্রোল পাম্পে দেখা যায়, তেল পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই। কিন্তু দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে মোটরসাইকেল চালকদের।
মতিঝিলের করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে ভোর ৬টায় দাঁড়িয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় তেল পাওয়ার কথা জানালেন সজিব ইসলাম রিফাত নামে একজন রাইডার। একই কথা জানিয়েছেন অন্য চালকরাও।
বেসরকারি চাকরিজীবী তানজিলুর রহমান নাবিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকালে সিটি, ক্লিন, এসআর, রয়েল পাম্প ঘুরে কোথাও তেল পাইনি। শেষে দুপুর দেড়টায় সিটির লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পেলাম বিকাল ৪টায়।’
এই অভিযোগ দেশজুড়ে। তবে আগের মতো সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। রাতভর থাকতে হচ্ছে না। কিন্তু এখনও তিন-চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা মিজানুর রহমান রতন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকার সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও বাস্তবে এর কোনও মিল নেই। আমরা এখনও রেশনিংয়ের মতোই তেল পাচ্ছি। ফলে রাজধানীর অনেক পাম্প দুপুরের পর বন্ধ হয়ে যায়। কোনও পাম্প তেল পাচ্ছে বিকালে। ফলে সকালে এসব পাম্প বন্ধ থাকে। সরকারি ঘোষণার পরও তেল না পেয়ে চালকরা আমাদের ওপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। অথচ আমাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিচ্ছে না। আমরাও চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছি না।’
ময়মনসিংহে এখনও দীর্ঘ লাইন
তেলের দাম বাড়লেও ময়মনসিংহের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নেওয়ার জন্য চালকদের দীর্ঘ লাইন আগের মতোই রয়েছে। বুধবার নগরীর দিগারকান্দা সওদাগর পেট্রোল পাম্পে সকাল থেকে চালকদের মাঝে তেল সরবরাহ করা হয়েছে। ভোর থেকে চালকরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সকাল ৮টার পর তেল দেওয়া শুরু হয়। কয়েকশত চালককে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে দেখা গেছে।
মোটরসাইকেল চালক কামরুজ্জামান বলেন, ‘তেলের দাম বাড়লেও এর কোনও প্রভাব পাম্পগুলোতে পড়েনি। আগের মতোই চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।’
আরেক চালক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘ভোরবেলায় সওদাগর ফিলিং স্টেশনে এসে দেখি কয়েকশত মোটর বাইক চালক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। আমিও তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি দুই ঘণ্টা ধরে। এখনও তেল পাইনি। আরও ঘণ্টাখানেক লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে হয়তো তেল নিতে পারবো। তেলের দাম বাড়লেও এর কোনও প্রভাব পড়েনি। আগের মতো একই অবস্থায় আছে।’
মেসার্স সওদাগর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার লিটন মিয়া বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে এই পাম্প থেকে তেল সরবরাহ করা হয়েছে। ওই দিন যেরকম দীর্ঘ লাইন ছিল চালকদের, বুধবার সকাল থেকে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। দাম বাড়ার পরও এর কোনও পরিবর্তন হয়নি। দীর্ঘ লাইন আগের মতোই আছে।’
বরিশালেও একই অবস্থা
এখনও বরিশালের পেট্রোল পাম্পগুলোতে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল দেওয়ায় চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। তবে আগে মোটরসাইকেল চালকদের রেশনিং পদ্ধতির বাইরে যে তেল নেওয়ার প্রবণতা ছিল, তা কিছুটা কমে এসেছে। কমেছে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনও। বড়-ছোট যানবাহনে চাহিদা রয়ে গেছে আগের মতো।
Manual8 Ad Code
নগরীর একাধিক পাম্পের কর্মচারী জানান, তেলের দাম বাড়ার আগে মোটরসাইকেল চালকরা ৫০০ টাকার তেল নিতে চাইতেন। কিন্তু রেশনিং পদ্ধতিতে ২০০ টাকার দেওয়া হতো। দাম বাড়ার পর সেই অনুরোধ এখন আর কেউ করে না। ২০০-৩০০ টাকার তেল নিয়েই চলে যান মোটরসাইকেল চালকরা। তবে আগের চেয়ে লাইন কিছুটা কমেছে। ভিড়ও কমেছে। তবু ঘণ্টাখানেকের মতো অপেক্ষায় থাকতে হয়। মোটরসাইকেলে অতিরিক্ত তেল নেওয়ার প্রবণতা কমলেও বড় ছোট যানবাহনে চাহিদা মাফিক তেল দেওয়া যাচ্ছে না।
বরিশাল পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আকবর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাম্পগুলোতে তেল দেওয়া হচ্ছে আগের মতো রেশনিং পদ্ধতিতে। যার ফলে ২৪ ঘণ্টার বেশিরভাগ সময়ই পাম্পগুলোতে তেল থাকে না। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পর মোটরসাইকেলের বহরটা কিছুটা কমেছে। কিন্তু ছোট-বড় যানবাহনে চাহিদা মাফিক তেল দেওয়া যাচ্ছে না।’
রাজবাড়ীতে ভিড় কিছুটা কমতে শুরু করেছে
রাজবাড়ীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কিছুটা কমতে শুরু করেছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভোগান্তির চিত্র ছিল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে চালকদের। আগের দিনের তুলনায় অপেক্ষার সময় কমেছে। তুলনামূলক এক ঘণ্টার মধ্যে তেল মিলছে।
Manual7 Ad Code
দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুর সংলগ্ন পলাশ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, আগের তুলনায় তেলের লাইনে ভিড় কমেছে। অপেক্ষার সময়ও কিছুটা কমেছে। আগে যেখানে এক কিলোমিটারজুড়ে মোটরসাইকেলের লাইন তৈরি হতো সেখানে এখন ৩০-৪০টি মোটরসাইকেল তেল নিতে দাঁড়িয়ে আছে।
মোটরসাইকেল চালক সুমন শেখ জানান, আগে তেল পেতে প্রায় সাত-আট ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। এখন দেড়-দুই ঘণ্টার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। দাম বাড়ানোর পর ভিড় কিছুটা কমেছে।
প্রাইভেটকারচালক বাচ্চু বলেন, আগের তুলনায় এখন কিছু সময় লাগছে। এখন অল্প সময়ের মধ্যেই লাইনে থেকে তেল পাচ্ছি। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও অকটেনের একটু ঘাটতি রয়েছে। তবে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।
তেলের দাম বাড়ানোর চার দিন পরও সেই অবস্থার অবসান হয়নি
খুলনায় লাইন এখনও কমেনি
খুলনার ফিলিং স্টেশনগুলোতে ২২ এপ্রিল থেকে তেল সরবরাহ বেড়েছে। মোটর সাইকেলসহ যানবাহনে তেল বিক্রির লিমিট আর নেই। যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই পাচ্ছেন। কিন্তু মোটরসাইকেলের লাইন এখনও কমেনি। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। আগের যেখানে চার-পাঁচ ঘণ্টায় থাকতে হতো।
মোটরসাইকেল চালক কাজল ইসলাম বলেন, ‘গাড়ির ট্যাংকি খালি। তবে আগের মতো এখন আর দীর্ঘ লাইন নেই। ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করলেই তেল পাওয়া যাচ্ছে।’
কেসিসি পেট্রোলিয়ামের সুপারভাইজার মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ডিপো থেকে ২২ এপ্রিল তেল বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে এখন তেল বিক্রিতে কোনও লিমিটেশন রাখা হচ্ছে না। এমন চললে ২-১ দিনের মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোতে লাইন কমতে পারে।’
নারায়ণগঞ্জে এখনও দীর্ঘ লাইন
ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল নিয়ে এসেছেন নীরব আহমেদ। তিনি বলেন, ‘দাম বাড়ার পরও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আগে থেকে সিরিয়াল দিতে হয়। আগের তুলনায় তেল সংকট কমলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে তেল কিনতে হয়। তেল সংকটের সময়ে খোলা বাজার থেকে ২০০-২৫০ টাকা দিয়েও জ্বালানি তেল কিনেছি।’
মোটরসাইকেল আরোহী রাজ আহমেদ বলেন, ‘তেলের দাম বাড়লেও কিছু করার নাই। অতিরিক্ত দাম দিয়েই কিন্তু হচ্ছে। সিন্ডিকেটের কারণে এভাবে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এরপরও ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। এখনও ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহ করতে এক ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করতে হয়। কখনও কখনও অনেক ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সংকটের কারণে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।’
ফতুল্লার জননী ফিলিং স্টেশনের সহকারী সুপার ফয়সাল আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধির পরও চাহিদা মোতাবেক পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য চালকদের দিতে পারছি না। প্রতিদিন প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু চাহিদার প্রায় অর্ধেক তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এজন্য আগের মতো লাইন থেকে যাচ্ছে। তবে কিছুটা কমেছে।’
চট্টগ্রামে পাম্পে যানবাহনের লাইন কমে আসছে
Manual1 Ad Code
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে কিছুটা কমেছে যানবাহনের লাইন। আগে যেখানে সাত-আট ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করে তেল পাওয়া যেতো, বর্তমানে ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষার পর মিলছে। কিছু কিছু ফিলিং স্টেশনে অকটেন মিললেও সংকট দেখা দিয়েছে ডিজেলের। এমনটাই জানিয়েছেন কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক।
মোটরসাইকেল চালক আহমেদ মুসা বলেন, ‘সোমবার থেকে অকটেন পাওয়ার জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। আগে যেখানে সাত-আট ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেলের জন্য অপেক্ষা করতে হতো, এখন তা ৩০-৪০ মিনিটে পাওয়া যায়।’
দুপুরে নগরের গণি বেকারি মোড়ের কিউসি পাম্পে দেখা গেছে, আগে যেখানে যানবাহনের আধা কিলোমিটারের বেশি লাইন থাকতো সেখান থেকে অর্ধেকে নেমেছে। অকটেন নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেল ছিল ৫০-৬০টি। ডিজেল নেওয়ার জন্য প্রাইভেটকার, ট্রাক ছিল ৬০ থেকে ৭০টি।
পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাম্পগুলোতে গত সোমবার থেকে তেল পাওয়া স্বাভাবিক হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী না পেলেও চাহিদার কাছাকাছি সরবরাহ করছে সরকার। যে কারণে লাইন কমে আসছে। আজ আমি বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখেছি, খবর নিয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
গাজীপুরে আগের মতো অবস্থা
গাজীপুরের প্রতিটি পাম্পে ভিড় আগের মতোই আছে। যেদিন যে পাম্পে তেল দেওয়া হবে তার ১০-১২ ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে যানবাহন এবং বাইক চালকরা নির্দিষ্ট সময়ের ৮-১০ ঘণ্টা আগে থেকেই ওই পাম্পে সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন।
মাওনা চৌরাস্তার মেসার্স কাজী ফিলিং স্টেশনের পরিচালক ফেরদৌস আহমেদ বলেন, ‘আমরা যে পরিমাণ তেল পাই তা মোটরসাইকেল এবং গাড়িতে দিই। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এখনও হিমশিম খেতে হয়। দাম বাড়লেও চাহিদা মোতাবেক তেল পাচ্ছি না। আমরাও চালকদের দিতে পারছি না। এজন্য লাইন কমেনি।’
সিলেটে চাপ কমেছে
Manual7 Ad Code
তেলের দাম বাড়ার পর সিলেটের পাম্পগুলোতে চালকদের চাপ আগের চেয়ে কমেছে। অনেকে প্রয়োজন ছাড়া তাদের যানবাহন রাস্তায় বের করছেন না। এ কারণে পাম্পগুলোতে ভিড়ও কমেছে।
নগরীর আখালিয়াঘাটের বাসিন্দা পান্না দাস বলেন, ‘দাম বাড়ার পর তেল কেনার জন্য আর পাম্পে যাইনি। আগে লোড করা তেল দিয়েই মোটরসাইকেল চালাচ্ছি। প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি নিয়ে কোথাও যাচ্ছি না।’
নগরীর রাইডার আকরাম হোসেন জানান, দাম বাড়ার পর পাম্পগুলো থেকে তেল কিনতে তাদের আগের মতো আর বেগ পোহাতে হচ্ছে না। যে কারণে পাম্পে ভিড় কিছুটা কমেছে।
সিলেট বিভাগীয় জ্বালানি তেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, দাম বাড়ার পর গ্রাহকদের চাপ কিছুটা কমেছে। সরবরাহও বেড়েছে। তবে কিছুটা সংকট আছে।
প্রতিবেদন তৈরি করেছেন বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্টার ও জেলা প্রতিনিধিরা