নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ১২টি মামলায় জামিন পাওয়ার পর বুধবার (০৩ জুন) রাত ১০টা ১০ মিনিটে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আদালতের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে তাকে কারামুক্ত করা হয়।
Manual3 Ad Code
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার মুক্তির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আইভীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা ১২টি মামলা চলমান রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এসব মামলা হয়। গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
Manual2 Ad Code
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি মামলায় ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল দিয়ে তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করলে ১৭ মে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত তাতে ‘নো অর্ডার’ দেন।
এর আগে ১০ মে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা পৃথক ১০ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। সব মিলিয়ে ১২টি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আপিল বিভাগে বহাল থাকার পর সংশ্লিষ্ট আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। এরপর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
Manual2 Ad Code
মুক্তির সময় তার নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওয়াদ হোসেনসহ কয়েকজন আইনজীবী ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন।
ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন। পরবর্তীতে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন।