মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) বিশেষ অভিযানে ১৮৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।
Manual6 Ad Code
শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডু মার্কেট এলাকার আশপাশে বিদেশি নাগরিকদের আবাসস্থল লক্ষ্য করে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
‘অপস কুতিপ’ নামের এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন বিদেশি নাগরিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকারও চেষ্টা করেন। তবে কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং পরে সবাইকে আটক করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুত্রাজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) মোট ১৩৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
Manual7 Ad Code
অভিযানের সময় ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ। এর মধ্যে অভিবাসন আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৮৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
Manual7 Ad Code
অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। মোট ১১৮ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৮ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিকের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও ২১ জন নারী, ২৬ জন মিয়ানমারের নাগরিকের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী এবং পাঁচজন ভিয়েতনামি নাগরিকের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া চারজন নেপালি, দুজন ভারতীয়, একজন পাকিস্তানি এবং একজন পুরুষ ও একজন নারীসহ দুজন চীনা নাগরিককেও আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন, আবার কেউ বৈধ ভ্রমণ নথি বা অনুমতিপত্র ছাড়াই দেশটিতে বসবাস করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) (অতিরিক্ত সময় অবস্থান) এবং ধারা ৬(১)(সি) (বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান)-এর আওতায় তদন্ত চলছে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিদের ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।সুএ: ইত্তেফাক