আজ বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে মুহুর্মুহু হামলা ইসরায়েলের, নিহত ১৬

editor
প্রকাশিত জুন ১৯, ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে মুহুর্মুহু হামলা ইসরায়েলের, নিহত ১৬

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত নতুন সমঝোতা স্মারকে লেবাননের ওপর সব ধরনের সামরিক আক্রমণ বন্ধ করার স্পষ্ট আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অবস্থান ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে অবিরাম বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

Manual3 Ad Code

ইসরায়েলের এই সাম্প্রতিক ও ভয়াবহ হামলায় দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ জেলাজুড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কিছু মানুষ আহত বা নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বরাতে আলজাজিরা এই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে এক বিবৃতিতে স্বীকার করেছে যে তারা গত রাতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য তীব্র বিমান ও স্থল হামলা পরিচালনা করেছে। তবে এই আগ্রাসনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তেল আবিব দাবি করেছে যে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতির বারবার লঙ্ঘন’ করার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তারা এই পাল্টা সামরিক অভিযান চালাতে বাধ্য হয়েছে।

লেবাননের জাতীয় গণমাধ্যম অবশ্য এই নৈশকালীন বোমাবর্ষণকে ওই অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম তীব্র ও নৃশংস ইসরায়েলি হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে, যেখানে মধ্যরাতের পর একের পর এক আবাসিক বাড়িঘরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে যে ইসরায়েলি ভারী কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী প্রথমে নাবাতিহ শহর, কাফার জুজ এবং এর আশেপাশের বেশ কয়েকটি সীমান্ত শহর যেমন কাফার রেমান ও জেবদিনে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে।

Manual7 Ad Code

Manual1 Ad Code

এর পরপরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো কাফার তিবনিত এবং রায়হান পাহাড়ের ওপর একের পর এক শক্তিশালী বিমান হামলা চালায়। এই রক্তক্ষয়ী হামলায় কেবল নাবাতিহ শহর এবং হারুফ এলাকাতেই অন্তত আটজন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন।

এর পাশাপাশি আল-শারকিয়া ও দুয়ের অঞ্চলের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত একটি আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একই পরিবারের চারজন নিহত হন এবং কাফার সির নামক প্রত্যন্ত শহরে আরেকটি হামলায় আরও তিনজন প্রাণ হারান।

এ ছাড়া দুয়ের পৌরসভা ভবনের কাছাকাছি একটি রাস্তায় চলন্ত মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে ছোঁড়া নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আরও একজন আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত এবং অন্য একজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

 

Manual7 Ad Code