আজ বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ; আমি কি পরিমাণ কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি

editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৭, ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ণ
কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ; আমি কি পরিমাণ কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual3 Ad Code

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার ব্যক্তিগত একটি ছবি ও পোস্ট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার পর তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই প্রতিক্রিয়া জানান।

Manual2 Ad Code

সোমবার (১৭ আগষ্ট) বিকালে দেওয়া ওই পোস্টে ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি উল্লেখ করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু তার সেই ছবি শেয়ার করে যে ধরনের অমার্জিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি পোস্টে লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না। তার মতে, তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশ বিশেষ রাজনৈতিক দল ও নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল হলেও অন্য শিক্ষকদের বেলায় উদাসীন থাকে। এছাড়া নিজের ওপর ‘জামায়াত ট্যাগ’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন।

পোস্টটিতে ডাকসুর পর থেকে ছাত্রদল ও বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীর আচরণ নীরব দর্শকের মতো সহ্য করে যাওয়ার কথা জানান এই শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের উদ্ধত আচরণ করে ব্যক্তিগত জীবনে কেউ খুব বেশি দূর এগোতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মানসিকতাই এমন আচরণের জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেন। তার সেই কমেন্টের জবাবে শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ছাত্র নেত্রীকে সহায়তা করার একটি পুরোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম। সকল দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিলো, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড় ঝাপ দিলাম। অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বল্লামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই সেম মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বুঝাতে পারবো না।

Manual5 Ad Code

 

Manual7 Ad Code