মৎস্য খাতের উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন এবং মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষিদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মৎস্য খাতে অবদান রাখায় উপজেলার মো: শরিফ উদ্দিন, ইলিয়াস মিয়া ও মো: বাহার উদ্দিনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও কর্মসংস্থানে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতি ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত ও গুনগত মানসম্পন্ন মাছ চাষ, উন্মুক্ত জলাশয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব মৎস্যচাষের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তারা আরও বলেন, মৎস্যসম্পদের যথাযথ সংরক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্টদের মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, আইন মেনে মাছ আহরণ এবং জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, মৎস্য খাতকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশের জলাশয় ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে জুড়ীতে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে মৎস্যচাষিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, আধুনিক মৎস্যচাষে উৎসাহ প্রদান এবং মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।