ইরানের সর্বোচ্চ নেতা একটি অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি বাইরের বিশ্বের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ রাখছেন এবং বার্তা আদান-প্রদানের জন্য বিশেষ বার্তাবাহক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছেন এমন তথ্য জানিয়েছে সিবিএস নিউজ।
প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সিবিএস নিউজ এ তথ্য জানায়। ইরানের নেতৃত্ব নতুন করে লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে। এই কারণে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ সমস্যা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Manual4 Ad Code
আলোচনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও নিজেদের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারছেন না। মার্কিন কর্মকর্তারা সিবিএসকে জানিয়েছেন, তেহরানে কোনো প্রস্তাব পাঠানোর পর উত্তর পেতে অনেক সময় দেরি হয়। কারণ বার্তাগুলো প্রথমে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নেতার কাছে পৌঁছাতে হয়, তারপর সিদ্ধান্ত আসে।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
Manual7 Ad Code
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই হামলার সময় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হত্যা করা সম্ভব হয়েছিল। এরপর থেকেই দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা সপ্তাহের পর সপ্তাহ অত্যন্ত সুরক্ষিত বাংকারে অবস্থান করছেন এবং সরাসরি যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
Manual1 Ad Code
এতে আরো বলা হয়েছে, এখন ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও সর্বোচ্চ নেতার সঠিক অবস্থান সম্পর্কে জানেন না এবং তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কোনো মাধ্যম নেই। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বিশ্বস্ত বার্তাবাহকদের মাধ্যমে। তিনি শুধু সাধারণ নির্দেশনা দেন, কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে এবং কোন বিষয় আলোচনা থেকে বাদ থাকবে।
মোজতবা খামেনি এ বছরের শুরুতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তিনি যুদ্ধ শুরুর আগ থেকেই জনসমক্ষে আসেননি এবং সম্ভাব্য হামলা এড়াতে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে আছেন।