পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
editor
প্রকাশিত জুন ৩, ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। অভিনন্দন বার্তায় দেশগুলোর পক্ষ থেকে তার এই আন্তর্জাতিক সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জয়ী ড. খলিলুর রহমান এক বছরের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।
চীনের অভিনন্দন
ড. খলিলুর রহমানের এই বিজয়ে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিকতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটির গঠনমূলক ভূমিকারই প্রতিফলন।
চীন আশা ও বিশ্বাস প্রকাশ করেছে, নবনির্বাচিত সভাপতি ড. খলিলুর রহমান সব সদস্য রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ করবেন, সার্বভৌম সমতা বজায় রাখবেন, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করবেন এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বহুপাক্ষিকতার ভিত্তিকে আরও সুসংহত করবেন।
Manual3 Ad Code
এই দায়িত্ব পালনে ড. খলিলুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চীন প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয় অভিনন্দন বার্তায়।
ভারতের শুভেচ্ছা
Manual6 Ad Code
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এক অভিনন্দন বার্তায় ড. খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন। আমাদের অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।
যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা
জাতিসংঘের স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন উপ-প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ট্যামি ব্রুস। ড. খলিলুর রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি এমন এক সংকটময় মুহূর্তে এই দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন জাতিসংঘকে অবশ্যই দীর্ঘদিনের বিলম্বিত সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করতে হবে। সাধারণ পরিষদ এই দুই ক্ষেত্রেই আপনার নিরপেক্ষ নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখবে।
তিনি আরও বলেছেন, সাধারণ পরিষদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় সংকোচন এবং মূল বিষয়গুলোতে পুনরায় মনোযোগ দেওয়ার জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। সফলতার পরিমাপ কেবল ঘোষণার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং অর্জিত ফলাফলের গুণগত মান দিয়ে করা উচিত।