ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতি দুই দিনে একবার কথা হয়: নেতানিয়াহু
ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতি দুই দিনে একবার কথা হয়: নেতানিয়াহু
editor
প্রকাশিত জুন ৫, ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক এখনো অত্যন্ত মজবুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি উল্লেখ করেন, মাঝে মাঝে কিছু বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলেও তাদের দুজনের মধ্যে নিয়মিত ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতি দুই দিনে একবার কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা সকালে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, আবার বিকেলের মধ্যেই ঐকমত্যে পৌঁছে যেতে পারি। ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যে সব বিষয়ে সবসময় একমত হওয়া সম্ভব নয়।
সম্প্রতি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কড়া ভাষায় কথা বলেছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়। এরপরই নেতানিয়াহু এই সাক্ষাৎকার দেন। তিনি স্বীকার করেছেন, দুই নেতার মধ্যে কৌশলগত বিষয়ে মতবিরোধ থাকতে পারে, তবে মূল বিষয়গুলোতে তারা একমত।
নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্প ও আমার কিছু সাধারণ লক্ষ্য রয়েছে। আমরা সেগুলো অর্জন করতে চাই। তিনি আরও জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়া নিয়ে দুই দেশের অবস্থান একই।
ইরানকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের জন্যই বড় হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন নেতানিয়াহু। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান ইরানের সরকার দুর্বল হয়ে পড়ায় সেখানে সরকার পরিবর্তন হতে পারে। তিনি বলেন, ভেতরে ভেতরে অনেক ফাটল তৈরি হয়েছে। কখন এটা ধসে পড়বে তা আগে থেকে বলা কঠিন। রোমানিয়া বা বার্লিন প্রাচীরের পতনের মতো ঘটনা কেউ আগে থেকে অনুমান করতে পারেনি।
Manual2 Ad Code
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়া নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে নেতানিয়াহু বলেন, যারা এই রুটের ওপর নির্ভরশীল তারা ইতিমধ্যে বিকল্প পথ তৈরি করছে। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা অন্যান্য রুট দিয়ে পূরণ করা সম্ভব।
Manual6 Ad Code
নেতানিয়াহু ইউরোপীয় নেতাদের, বিশেষ করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় নেতারা তাদের দেশের কট্টরপন্থী ইসলামি গোষ্ঠীর তোষামোদ করছেন, যা লজ্জাজনক। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল যে সভ্যতাকে রক্ষা করছে সে বিষয়ে তাদের সাহসের অভাব রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু ইসরায়েলে বিনিয়োগের আহ্বানও জানান এবং যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা উড়িয়ে দেন।