পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
editor
প্রকাশিত জুন ২২, ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ণ
Manual5 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির দলীয় প্রধানের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
Manual1 Ad Code
সোমবার (২২ জুন) নিজের রাজনৈতিক দলটির ভেতরে আগামী সাধারণ নির্বাচনে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর স্টারমার এই আকস্মিক ও বড় ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।
কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন যে বর্তমানে তার দলের ভেতরের মূল জিজ্ঞাসা ছিল যে আগামী সাধারণ নির্বাচনে দলকে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি কি না।
নিজের দলের সহকর্মীদের সেই অভ্যন্তরীণ মনোভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি এবং অত্যন্ত সদ্বিবেচনার সঙ্গে সেই উত্তরটি গ্রহণ করছি।’ তিনি আরও দাবি করেন যে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নেওয়া তার প্রতিটি সিদ্ধান্তই মূলত ‘নিজের ভালোবাসার দেশকে সবার আগে স্থান দেওয়ার’ উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছিল।
নিজের দল ত্যাগের সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে কিয়ার স্টারমার ঘোষণা করেন, ‘আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করবো।’ সোমবার সকালেই তিনি ব্রিটেনের রাজা চার্লসের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে নিজের এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়টি তাকে বিশদভাবে অবহিত করেছেন।
স্টারমার পদত্যাগ করবেন, দাবি ট্রাম্পের—নাকচ করল ডাউনিং স্ট্রিটস্টারমার পদত্যাগ করবেন, দাবি ট্রাম্পের—নাকচ করল ডাউনিং স্ট্রিট
Manual5 Ad Code
দলীয় প্রধানের এই আকস্মিক ঘোষণার পর তিনি লেবার পার্টির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী কমিটি তথা ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটির কাছে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি বা টাইমটেবিল তৈরির অনুরোধ জানিয়েছেন। তার প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ৯ জুলাই থেকে নতুন দলীয় প্রধান পদের জন্য আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন নেওয়া শুরু হবে এবং সংসদের আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটির আগেই এই সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে।
Manual3 Ad Code
নতুন এই রাজনৈতিক সময়সূচি অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটেনের জাতীয় সংসদ বা পার্লামেন্ট পুনরায় চালু হওয়ার আগেই লেবার পার্টি তাদের একজন নতুন স্থায়ী দলীয় প্রধান পেয়ে যাবে। কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে নতুন দলীয় প্রধান বা উত্তরসূরি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের সরকারি দায়িত্ব ও রাষ্ট্রীয় পদে বহাল থাকবেন।