আজ শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনার পতনের পর ঋণ দেয়নি আইএমএফ, বিশ্বাস করেনি ড. ইউনূসকে : রনি

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ণ
হাসিনার পতনের পর ঋণ দেয়নি আইএমএফ, বিশ্বাস করেনি ড. ইউনূসকে : রনি

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জামানাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ কমতে কমতে একটা সময় ২২ বিলিয়ন ডলারে চলে এসেছিল। আবার শেখ হাসিনার জামানাতে কেউ কেউ বলতেন যে এটা ২২ বিলিয়ন বা ২৫ বিলিয়ন ডলার আসছে। কেউ বলল যে, না, এটা ১৬ বিলিয়ন ডলারে চলে এসেছিল। যা-ই হোক, যখন আইএমএফ শেখ হাসিনা সরকারকে ঋণ দিল এবং পরবর্তী তিনটি কিস্তি ছাড় করল, তখন আমাদের দেশে যে সমস্ত লোকজন শেখ হাসিনার ফরেন পলিসি, তার বৈদেশিক মুদ্রা নীতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে রিজার্ভ- এটা নিয়ে যেসব নেতিবাচক কথা প্রচার করেছিল, সেটা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে গেল।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে ‘তিনতন্ত্র’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।

Manual4 Ad Code

গোলাম মাওলা রনি বলেন, বাংলাদেশের কিছু মানুষ একটা সময় আইএমএফে চাকরি করতেন, তাদের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। ফলে যখন শেখ হাসিনা সরকার ইমেজ সংকটে পড়ে গেল, দেশীয় যে প্রচার-প্রপাগান্ডা, এস আলমের কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, তখন তার ফরেন রিজার্ভ ‘ওকে’ ছিল, ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যাচ্ছিল। এর মধ্যে ৮ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে তাদের একটা বার্গেইনিং হচ্ছিল।

Manual1 Ad Code

এর কারণ হলো যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারা এই ডলারটা নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ করেছিল, ওটাকে তারা হিসেবের মধ্যে দেখাচ্ছিল। সেই দিক থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার আইএমএফ বলছিল যে তুমি তোমার হিসাব থেকে এটা আলাদা করে দেখাও। আইএমএফের চাপে পড়ে সরকার দেখালো যে এই ৮ বিলিয়ন ডলারসহ এত, আর ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়া এত। সেই ৮ বিলিয়ন ডলার বাদ দিয়ে সেই আওয়ামী লীগের যে রিজার্ভ এটা ২২, ২৩, ২৫ বিলিয়ন ডলারে ওঠানামা করছিল।

Manual2 Ad Code

আর তার সঙ্গে যদি ৮ বিলিয়ন ডলার যোগ করেন, তাহলে ২৫ বিলিয়ন ডলারের সঙ্গে ৮ বিলিয়ন ডলার যোগ করলে ৩৩ বিলিয়ন ডলার হয় এবং তাদের এই যে যখন সংকট ছিল না, তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এমন একটা পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যেটা পুরো এশিয়ার মধ্যে বলতে গেলে অনেকের কাছে এটা ঈর্ষণীয় ছিল।

তিনি বলেন, যা-ই হোক, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আইএমএফ পরবর্তী কিস্তিগুলো দেয়নি। এতে বুঝা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে তারা বিশ্বাস করেনি। অথবা শেখ হাসিনা সরকারের সময় আর্থিক খাতকে আমরা যতটা দুর্নীতিগ্রস্ত বলেছিলাম, আইএমএফের দৃষ্টিতে সেটা অতটা দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে আইএমএফ যে সকল প্রশংসা করেছিল, ওই সকল প্রশংসা এই যুগে বলাটা আমার জন্য বা অনেকের জন্য নিরাপদ নয়। সুএঃ কালের কন্ঠ

 

Manual6 Ad Code