আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বর্ণ আর সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
স্বর্ণ আর সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual1 Ad Code

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা চলমান। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের ১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।

একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও তার আপিলের সুযোগ রয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হলে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তারা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষিত হবেন।

Manual3 Ad Code

সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামায় উঠে এসেছে সম্পদের বৈচিত্র্যময় ও চমকপ্রদ চিত্র। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, স্বর্ণ সম্পদ ও বার্ষিক আয়ের দিক থেকে বিএনপি জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলক কম এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, যার পারিবারিক স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ ও ব্যক্তিগত সম্পদের অংক নজর কেড়েছে সবার। তার ব্যক্তিগত মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গহনা। এর বাইরে তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি গহনা।

Manual1 Ad Code

অর্থাৎ এই দম্পতি মোট ৬০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের মালিক। যার অর্জনকালীন মূল্য জানা না থাকলেও এগুলো উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায়ের বার্ষিক আয় পেশাগত কাজ ও বিনিয়োগ মিলিয়ে প্রায় ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত এবং দুই কোটি টাকার বেশি মূল্যের দুটি গাড়ি রয়েছে তার। সব মিলিয়ে তার নিজের অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে থাকা ২৩টি মামলা থেকে গত বছর তিনি অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন।

Manual6 Ad Code

বিএনপির প্রবীণ নেত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ৮৫ বছর বয়সী সেলিমা রহমানের বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি। গত বছর নির্বাহী আদেশে তার বিরুদ্ধে থাকা আটটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকা।

দলের আরেক প্রার্থী ৫৭ বছর বয়সী রেহেনা আক্তার রানুর প্রায় তিন কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া ৪৩ বছর বয়সী সানজিদা ইসলাম তুলি ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বার্ষিক আয় ও ২ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। ৬৬ বছর বয়সী শামীম আরা বেগম স্বপ্না জমি বিক্রির বড় অংকের আয়সহ মোট ৪ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে নূরুন্নিসা সিদ্দীকার বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাহমুদা আলম মিতুর কোনো স্থাবর সম্পদ না থাকলেও ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ ও ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। পেশায় চিকিৎসক এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা। স্বতন্ত্র জোট থেকে মনোনয়ন পাওয়া ৩৪ বছর বয়সী সুলতানা জেসমিনের বার্ষিক আয় সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং তার সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ২৮ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে থাকা পাঁচটি মামলা গত বছর প্রত্যাহার করা হয়েছে। তথ্য সুএঃ যুগান্তর