বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে আলোচনায় যাদের নাম
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে আলোচনায় যাদের নাম
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই বিএনপির সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের মহাসচিবের পাশাপাশি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদ নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা এ পদে কয়েকজন নেতার নাম দলের ভেতরে আলোচনায় রয়েছে।
Manual7 Ad Code
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউন্সিলের আগে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোয় বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। এর অংশ হিসেবে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের শূন্য পদটিও পূরণ করা হতে পারে। এ পদে বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের পাশাপাশি ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুলের নামও আলোচনায় রয়েছে।
Manual5 Ad Code
তবে এ বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। কাউন্সিলের আগে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
Manual7 Ad Code
এদিকে বিএনপির সপ্তম জাতীয় কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, ‘দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবে। তবে এটুকু বলতে পারি, খুব শিগগিরই হবে।’
Manual3 Ad Code
একই কথা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি জানান, যত দ্রুত সম্ভব তারা কাউন্সিল করতে চান। এ জন্য নানা বিষয়ের প্রস্তুতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী যুগান্তরকে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কারণেই বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল বিলম্ব হচ্ছে। চলতি বছরে কাউন্সিলের সম্ভাবনা না দেখলেও আগামী বছরের প্রথম দিক অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি টার্গেট করেই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কারণ হিসাবে বলছেন, ওই সময়ে সরকারের ১ বছর পূর্তি হবে। একই সঙ্গে শীতকাল। কাউন্সিলকেন্দ্রিক প্রস্তুতি গ্রহণও স্বস্তিদায়ক হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শেষে বিএনপির সামনে এখন দুটি বড় সাংগঠনিক কাজ—স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন।
বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের মার্চে। নিয়ম অনুযায়ী তিন বছর পরপর কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও এক দশকেও তা সম্ভব হয়নি। তবে এই সময়ে নির্বাহী কমিটিতে একাধিকবার পরিবর্তন আনা হয়েছে। যুক্ত হয়েছেন নতুন মুখ; কেউ পদোন্নতি পেয়েছেন, আবার কেউ দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।