শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা
শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা
editor
প্রকাশিত মে ২৬, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার ১৯৯তম জামাত আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। লাখো মুসল্লির এই মিলনমেলাকে নিশ্ছিদ্র ও নিরাপদ রাখতে এরইমধ্যে পুরো মাঠের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
Manual8 Ad Code
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সকাল ৯টায় শোলাকিয়ায় ঈদের প্রধান জামাত শুরু হবে। এতে ইমামতি করবেন মাঠের স্থায়ী ইমাম ও শহরের বড়বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মো. ছাইফুল্লাহ। এরইমধ্যে মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, কাতার বা লাইনের দাগ টানা, মাটি ভরাট, অজুখানা সংস্কার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণসহ সব কাজ শেষ হয়েছে।
Manual3 Ad Code
সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি সরেজমিন দেখতে মঙ্গলবার সকালে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী এবং জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের জামাতের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সার্বিক প্রস্তুতির জন্য জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।’
ঈদ জামাতকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদের দিন পুরো ঈদগাহ ও এর আশপাশের এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। মাঠে প্রবেশের আগে মুসল্লিদের ৪টি নিরাপত্তা চৌকি (চেকপোস্ট) পার হতে হবে। প্রতিটি প্রবেশপথে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে দেহ তল্লাশির পর আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে হবে। মাঠের ভেতর ও চারপাশ নজরদারিতে রাখতে থাকবে ৬৪টি সিসি ক্যামেরা, ৭টি ড্রোন ও ৭টি লাইভ ক্যামেরা। এ ছাড়া ৪টি ওয়াচ টাওয়ারের পাশাপাশি প্রস্তুত থাকবে র্যাবের স্নাইপার ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
Manual1 Ad Code
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ঈদগাহ ও এর আশপাশের নিরাপত্তায় ৬০০ পুলিশ সদস্য, ২ প্লাটুন এপিবিএন এবং ৫৫ জন র্যাব সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পুরো এলাকাকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করবে। পাশাপাশি মাঠের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতেও বসানো হবে বিশেষ চেকপোস্ট। তথ্য সুএঃ ইত্তেফাক