আজ মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও প্রবাসীকে হুমকির অভিযোগ

editor
প্রকাশিত মে ২৬, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও প্রবাসীকে হুমকির অভিযোগ

Manual6 Ad Code
ফাহাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম):
​আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী।
আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) উপজেলার একটি স্বনামধন্য রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলনে লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের আমতলী ভবানীপুর এলাকার মৃত মাস্টার মোহাম্মদ হোসাইনের পুত্র ও রেমিটেন্স যোদ্ধা আমিরুল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমিরুল ইসলাম জানান, প্রতিপক্ষ নুরুল আমিন গং তাদের অর্ধশতাধিক ওয়ারিশের মধ্য থেকে মাত্র ২/৩ জনের কাছ থেকে আমতলী মৌজার বি.এস ৮৪৪ নং খতিয়ানের বি.এস ২৩৯ দাগের পুকুরের অংশ থেকে মাত্র ৩ শতক জায়গা ক্রয় করেন। কিন্তু এই ক্রয়ের সূত্র ধরে তারা আমিরুল ইসলামের পুরো সম্পত্তির বি.এস ৮৪৫ নং খতিয়ানের বি.এস ২৪১ ও ২৪২ নং দাগসহ বিভিন্ন দাগে মোট ১৪ শতক জায়গা জোরপূর্বক জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
​ভুক্তভোগী আমিরুল ইসলাম বলেন: “জমি দখলের বিরুদ্ধে আমরা গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ১৩ মে ২০২৬ তারিখে সাতকানিয়া দায়রা জজ আদালত থেকে দুটি নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) আনি। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারির পর প্রতিপক্ষ নুরুল আমিন গং আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাতারাতি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।”
​লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় গত ১২ মে ২০২৬ তারিখে লোহাগাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৬১৪) দায়ের করা হয়। কিন্তু জিডি করার পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। বর্তমানে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে সারারাত আমিরুল ইসলামের জায়গার ওপর বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
​সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী আমিরুল ইসলাম আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তিনি ও তার পরিবার এই অবৈধ দখলে বাধা দিলে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
​এই পরিস্থিতিতে পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা এবং পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এই রেমিটেন্স যোদ্ধা।