ডাকাতি করতে এসে অস্ত্রের মুখে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ
ডাকাতি করতে এসে অস্ত্রের মুখে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ
editor
প্রকাশিত জুন ৯, ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদল পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রী ও কন্যাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৮ জুন) রাত ৮টার দিকে মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদারপাড়ায় প্রবাসী ফুরুক আহমদ চৌধুরীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- মাতামুহুরী উপজেলার বড় ভেওলা ইউনিয়নের রেজাউল করিম, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত, তানজিদ । তবে আরেকজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল প্রবাসী ফুরুক আহমদ চৌধুরীর বাড়ির গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করে। এসময় ডাকাতদল আলমারী থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যান।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত মা-মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্বজনদের দাবি, মেয়েটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
Manual3 Ad Code
পুলিশ ঘটনার খবর পেরে চকরিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাসের নেতৃত্বে থানার ওসি মো.মনির হোসেনসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় জনতা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Manual2 Ad Code
ভোক্তভাগী মেয়ের মামা সাইদুল ইসলাম ফারুক বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি জড়সড় হয়ে দুজন দুটি কক্ষে বসে ছিলেন। আমার ভাগিনীর অবস্থা আশংকাজনক। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ওসি) মো.মাসুদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’