ছয় মন্ত্রণালয় গণভোট প্রচারে বাগিয়ে নিচ্ছে ১৪০ কোটি
ছয় মন্ত্রণালয় গণভোট প্রচারে বাগিয়ে নিচ্ছে ১৪০ কোটি
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual1 Ad Code
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতিতে সরকারের নির্বাচনী ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনে অতিরিক্ত বাজেট যুক্ত হয়েছে নির্বাচনী ব্যয়ে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি গণভোটের প্রচারে নির্বাচনী ব্যয় থেকে এবার ছয় মন্ত্রণালয় প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বাগিয়ে নিচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাজেট শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজেট শাখা থেকে জানা যায়, গণভোটের প্রচারের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ধর্ম মন্ত্রণালয় ৭ কোটি টাকা, এলজিইডি ৭২ কোটি টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বাগিয়ে নিচ্ছে।
Manual4 Ad Code
এই ছয় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চার মন্ত্রণালয় বরাদ্দ পেয়েছে এবং সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা গণভোট প্রচারে ৪ কোটি টাকা ব্যয় করছে বলে জানিয়েছে বাজেট শাখা।
বাজেট শাখা আরও জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ব্যয় হবে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, পরিচালনায় ব্যয় হবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচনী ব্যয় ৩ হাজার কোটি টাকার উপরে গিয়ে ঠেকেছে।
Manual7 Ad Code
নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, প্রথমে আমরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাই। পরবর্তী সময়ে আমাদের সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট করার জন্য নির্দেশনা দেয় সরকার। সে মোতাবেক আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত বাজেটের চাহিদা পাঠাই। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাই। সব মিলিয়ে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। সেইসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ অনুযায়ী কিস্তির টাকা সময়মতো পেয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট পেপার, কর্মী, যাতায়াত, খামসহ নির্বাচনী সামগ্রী বাবদ খরচ করছি। কিছু প্রচার-প্রচারণা ও কেনাকাটা কমিশন নিজেই করছে। এছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসি’র পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি (সিসি ক্যামেরা), সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়, ধর্ম, তথ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণভোটের পক্ষে প্রচারের জন্য আমাদের বরাদ্দ থেকে অর্থ নিয়েছে। তারা কীভাবে প্রচার করছে এবং কাকে দিয়ে প্রচার করছে সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না বলে জানান আলী নেওয়াজ।