আজ বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির ৫ সিদ্ধান্ত

editor
প্রকাশিত জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ণ
পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির ৫ সিদ্ধান্ত

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual1 Ad Code

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

Manual8 Ad Code

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে এই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির বিষয়টি মাথায় রেখে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও বেতন বৈষম্য দূরীকরণকে এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই পে-স্কেল কার্যকর করার চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কারণে কর্মচারীদের হাতে বর্ধিত বেতন পৌঁছাতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগলেও, ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর গণ্য হবে এবং পরবর্তী সময়ে বকেয়া বা অ্যারিয়ার্স হিসেবে সেই অর্থ প্রদান করা হবে।

প্রাথমিক পরিকল্পনায় তিন ধাপে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও, কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে এখন মাত্র দুই ধাপে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Manual4 Ad Code

আর্থিক চাপ বিবেচনায় ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই ৬০ শতাংশ সুবিধা প্রদানের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বর্ধিত বেতন প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

Manual3 Ad Code

এছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য দূর করতে একটি বিশেষ রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। মূল বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়েছে।

পে-স্কেল ঘোষণার পর যেন কোনো আইনি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা না দেয়, সে জন্য আইনি ভেটিং এবং বিধিমালা সংশোধনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেতন নির্ধারণ বা ফিক্সেশনের প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল করার কারিগরি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন প্রশাসনিক ও আইনি ধাপগুলো সম্পন্ন করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।সুএ:ইত্তেফাক