অভিষেক শর্মার ১৪ বলে ফিফটিতে ভর করে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধান নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।
Manual4 Ad Code
টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়া ভারতের বোলাররা নিউজিল্যান্ডকে ৯ উইকেটে রুখে দেয় ১৫৩ রানে। বোলাররাই জয়ের ভিত গড়ে দেন। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নেয় ভারত। বুমরাহ যখন উইকেটকিপার ব্যাটার টিম সেইফার্টকে ১২ রানে বোল্ড করেন, তখন নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৩ উইকেটে ৩৪ রান। গ্লেন ফিলিপস ৪০ বলে ৪৮ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেছিলেন। মার্ক চ্যাপম্যানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়লেও বিষ্ণয় সেই জুটি ভাঙেন। চ্যাপম্যানকে (৩২) কিপারের ক্যাচ বানান তিনি। পরে ফিলিপসকেও (৪৮) হাফসেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ১৭ বলে ২৭ রান করলেও লড়াইয়ের পুঁজি পায়নি নিউজিল্যান্ড। পেসার জসপ্রীত বুমরা ১৭ রানে নেন ৩ উইকেট। লেগ স্পিনার রবি বিষ্ণয় ১৮ রানে নেন ২ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় বাঁহাতি অভিষেক শর্মা মাত্র ২০ বলে খেলেছেন অপরাজিত ৬৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। তাতে ছিল ৭টি চার ও ৫টি ছয়। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও কম ছিলেন না। ৬টি চার ও ৩ ছক্কায় ২৬ বলে খেলেছেন ৫৭ রানের অপরাজিত ঝড়ো ইনিংস। এই দু’জনের অবিচ্ছিন্ন ১০২ রানের জুটিতে ২ উইকেট হারিয়ে ১০ ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে ভারত। বর্তমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এটি টানা নবম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়।
Manual3 Ad Code
ভারতের ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। কিউই পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম বলেই তুলে নেন সাঞ্জু স্যামসনের উইকেট। এরপরই নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিকরা। ইশান কিষান ও অভিষেক শর্মা ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৯ বলে যোগ করেন ৫৩ রান। ইশ সোধির বলে ২৮ রান করে কিষান আউট হলে অভিষেক দ্রুত গতিতে ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন। তাতে ভারতের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি করেন অভিষেক। মাত্র দুই বলের জন্য যুবরাজ সিংয়ের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি তিনি। ২০০৭ সালে যুবরাজ ১২ বলে ফিফটির কীর্তি গড়েছিলেন। অভিষেক ফিফটির দেখা পান ১৪ বলে।