আমাদের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব: শুভেন্দু
আমাদের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব: শুভেন্দু
editor
প্রকাশিত মে ২৬, ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual3 Ad Code
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাকিমপুর সীমান্তে কয়েকশো মানুষের ভিড় জমেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন ঘোষণার পর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। নিজ দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছেন তারা।
Manual2 Ad Code
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর থানার অন্তর্গত বিঠারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাকিমপুর চেকপয়েন্টে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
সীমান্তে মানুষের ভিড় বাড়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের অংশ ওদের কেন দিতে হবে?’
Manual7 Ad Code
এদিন কল্যাণীতে প্রশাসনিক সভায় যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখানেই তিনি বলেন, ‘হাকিমপুরের ব্যাপারটা আমি টিভিতে দেখলাম। আমি শুধু একটাই কথা বলব, “তাড়াতাড়ি পালাও। তাড়াতাড়ি পালাও”।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব আমরা?’
Manual6 Ad Code
শুভেন্দু বলেন, ‘এইটা তো আইন রয়েছে। কোনও নতুন আইন নয়। এই সব লোকদের চলে যাওয়াই ভালো। আর বাংলাদেশি নাগরিকদের নেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে ওদের সরকার। আমরা পুলিশকে বলে দিয়েছি, জেলে পাঠাতে হবে না। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে তুলে দেবে। দেশের পয়সায় খাবে, ওষুধ দেওয়া হবে, জামা কাপড় পরবে— কেন? জামাই নাকি! জলদি জলদি ভাগো।’
এর আগে গত রোববার শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দেন— রাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা ‘আটক শিবির’ চালু করা হবে। সোমবারের মধ্যে রাজ্যের জেলায় জেলায় চালু হয় হোল্ডিং সেন্টার। সোমবারই ১২ জন বাংলাদেশীকে হোল্ডিং সেন্টারে আটক করা হয়। এরপর থেকেই নিজ দেশে ফিরতে ভারতীয় সীমান্তে আসতে শুরু করেছে মানুষ।