আজ মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিজবুল্লাহর প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা

editor
প্রকাশিত মে ২৬, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
হিজবুল্লাহর প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

লেবাননের ঐতিহাসিক ‘প্রতিরোধ ও মুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেশটির সরকার, সাধারণ জনগণ এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রতি বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

লেবানন পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি এবং হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমের কাছে পাঠানো পৃথক দুটি বার্তায় তিনি হিজবুল্লাহ ও লেবাননের প্রতি তেহরানের অবিচল ও দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

Manual7 Ad Code

২০০০ সালে দক্ষিণ লেবানন থেকে দখলদার ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে আরাগচি তার বার্তায় জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেবাননের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরান সর্বদা দেশটির পাশে থাকবে।

Manual5 Ad Code

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই কূটনৈতিক বিবৃতিটি এমন এক স্পর্শকাতর সময়ে এলো, যার ঠিক আগেই মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার শান্তি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করার জন্য হিজবুল্লাহর তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে রুবিও লেবাননের সাধারণ জনগণকে হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বানও জানান।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখ লাখ সাধারণ মানুষ। এমন ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সম্ভাব্য চুক্তির আলোচনায় লেবানন যুদ্ধের অবসান অন্তর্ভুক্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।

অন্য দিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের পক্ষ থেকে লেবাননের ওপর ভূরাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গত রবিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননসহ সবকটি ফ্রন্ট থেকে আসা হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘আত্মরক্ষার অধিকারের’ বিষয়টি আবারও নিশ্চিত করেছেন।

তবে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের এই যৌথ অবস্থানের তীব্র বিরোধিতা করে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কোনো অবস্থাতেই লেবাননকে একা ফেলে যাবে না। যুদ্ধ অবসানের জন্য যেকোনো ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় লেবানন ও হিজবুল্লাহর হাত ইরান শক্ত করে ধরে রাখবে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে।

Manual6 Ad Code

 

Manual4 Ad Code