লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার
লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার
editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৩:৫৪ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual7 Ad Code
ঢাকা, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ (শুক্রবার): নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সদরঘাটে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় বস্ত্র ও পাট এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আজকের ঘটনাটি দুঃখজনক।
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, সব ধরনের পরিবহনের মধ্যে নদীপথ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। তারপরও এ ধরনের দুর্ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমি নিজেও নিয়মিত নদীপথে যাতায়াত করি। লক্ষ্য করেছি, অনেক সময় রাতে লঞ্চ চলাচলের সময় লাইট ব্যবহার করা হয় না।
উপদেষ্টা জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই লঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাতে কুয়াশার মধ্যে কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না। রাতে কোথাও দাঁড়ালে অবশ্যই লাইট ব্যবহার করতে হবে। এ মৌসুমে বাল্কহেড সকাল ৮টার আগে চলাচল করতে পারবে না। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হবে।
নৌ উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঝড় বা তুফানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু যেভাবে দু’টি লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তাতে মনে হয় চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা অন্য কাউকে দিয়ে লঞ্চ চালাচ্ছিলেন। তবে তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো লঞ্চ চালক সঠিকভাবে লঞ্চ পরিচালনা না করলে, রাতে লাইট ব্যবহার না করলে বা নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
Manual2 Ad Code
এর আগে গতকাল রাত ২টার দিকে চাঁদপুরের হাইমচর এলাকায় ‘এডভেঞ্চার-৯’ ও ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। নিহতরা হলেন— আ. গনি (৩৮), মো. সাজু (৪৫), মো. হানিফ (৬০) ও মোসা. রিনা (৩৫)। তারা সবাই ভোলা জেলার বাসিন্দা।বাসস