রাজধানীর বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে এই সংকট দেখা দিলেও চলতি সপ্তাহে তা আরও বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোনো কারণ উল্লেখ না করেই কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।
খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তাদের অনেকেই মনে করছেন, দাম বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই কোম্পানিগুলো বাজারে সরবরাহ কমিয়েছে। ফলে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে বাজারে নিত্যপণ্যের দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে, তবে ডিম ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ভোক্তাদের স্বস্তি দিচ্ছে।
Manual6 Ad Code
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেটের কাঁচাবাজারসহ আশপাশের খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়। মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
এছাড়া সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা, কক মুরগি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বেড়েছে।
মুরগির বাজারের এই অস্থিরতা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের ওপর নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারেও দামের তারতম্য দেখা গেছে। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারেও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। মান ও আকারভেদে বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, শীতকালীন সবজির মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণেই কিছু সবজির দাম বেড়েছে।
Manual2 Ad Code
তবে বাজারে ডিমের দাম কমে এখন ডজনপ্রতি প্রায় ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম কিছুটা বাড়লেও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা