ঝিনাইদহে মে দিবসের আলোচনা সভায় যা বললেন আইনমন্ত্রী
ঝিনাইদহে মে দিবসের আলোচনা সভায় যা বললেন আইনমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত মে ১, ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual7 Ad Code
পার্লামেন্টে আইন পাশের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় পৌর শ্রমিক দল আয়োজিত মহান মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
Manual1 Ad Code
আইনমন্ত্রী বলেন, তাদের পূর্বসূরীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি- সেইটা বলার আর কোনো নৈতিক দায়িত্ব জামায়াতের নেই। কেন নেই? এই সংসদে আমরা একটা আইন পাস করেছি। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন- ২০২৬। সেই আইনের মধ্যে একটা সংজ্ঞা আছে। ধারা ২ এর উপধারা ১০ এ বলা আছে। মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলসামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নিজামী ইসলামী পার্টির বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলো তারাই মুক্তিযোদ্ধা। তার মানে দাঁড়ায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। আমরা যখন বিল পাস করলাম তখন জামায়াতে ইসলামী বিলের বিরোধিতা করেনি। জামায়াতে ইসলামী তখন একবারেই চুপ করে ছিল। মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। আর এনসিপি তখন লিখিতভাবে সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।
তিনি বলেন, আমি গত পরশুদিন সংসদে বলেছি। গতকাল আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন- এরপর আর এই সাবজেক্টে আর কথা হবে না। ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি- এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়েছে পার্লামেন্টে এই বিল পাশের মধ্য দিয়ে।
Manual1 Ad Code
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কি প্রমুখ।