আজ মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম

editor
প্রকাশিত মে ৩০, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual7 Ad Code

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. দবিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

Manual6 Ad Code

শনিবার (৩০ মে) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে বড়বাড়ী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এই প্রবীণ রাজনীতিকের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ বালিয়াডাঙ্গীতে সমবেত হন। জানাজার আগে দবিরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার দাস ও থানার ওসি বুলবুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন।

জানাজায় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাজায় স্মৃতিচারণামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হায়াত নুরুন্নবী এবং জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুল হাকিমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

Manual7 Ad Code

বাবার জানাজায় অংশ নিতে দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম সুজন। বাবার মরদেহের পাশে তার কান্নার দৃশ্য জানাজাস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। তিনি উপস্থিত সবার কাছে বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলাম ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপর ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জাতীয় সংসদের বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক এই সংসদ সদস্য। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

Manual6 Ad Code